নতুন চক্ষু কখনো ভয় আনে না
ভয় আনে নতুনের নতুন কৌশলসমূহ,
চারদিকে বিচিত্র কৌশলে নিজ অস্তিত্ব অদৃশ্যে
তাই,
মন দিন দিন খুব দুর্বলতায় ভুগছে,
এরই ভেতর,
চারপাশে কত বেনামী ঘটনা ঘটছে,
হঠাৎ করেই ভেবে ফেলে মন-
যদি বেনামী হয়ে আমারও নাম মুছে যায়?
তাই মন জুড়ে,
গাছের পাতা গুলোর নড়াচড়া খুব দেখতে ইচ্ছে হয়,
এই ভেবেই যে-আজই যদি এই গাছকে শেষবার দেখি!
তখন মনে হয়,গাছের জীবন কত আবদ্ধ!!
তবুও এই আবদ্ধতায় মানুষকে শান্তি দেয়,
কি অমায়িক এক নিয়ম এই আবদ্ধতা
গাছ থেকে কী এই আবদ্ধতার শিক্ষা-
নিজ মনুষ্যত্বে নিতে পারি?
তাহলে হয়তো গাছের ভাষ্য বোঝার সূচনা পাবো,
পৃথিবীর এতো এতো জটিলতার মাঝে-
গাছের সাথে কথোপোকথনেই না হয় স্থায়ী হলাম,
কিন্তু না,গাছ বিপদের সময়েও নিজেকে আবদ্ধ রাখে,
এই আবদ্ধতা শিখলে আমি যোগ্যতমের টিকে থাকা হয়তো হারাবো,
তবুও খুব ভয় হয়,
গাছের সাথে না হয় পেরে উঠলাম,
কিন্তু!
মানুষ নামক বিচিত্র নিউরণের তথ্যগত কৌশলে,
বড্ড ভয় করে,
ভয় করে বাক্যের প্রবাহও শব্দকেও,
কেন জানি শব্দই ভয়ের উৎপত্তি করিয়ে দেয় মনে,
রাতের আকাশে তাকিয়ে থাকি,
ভয়ের সমীকরণ খোঁজার এক অযথা পন্থা এটি,
আকাশে কি ভয়ের সমীকরণ পাওয়া যায়?
দক্ষিণের চিত্রা নক্ষত্রের উজ্জ্বলতায় চোখ মেলি,
উত্তরের ধ্রুবতারা পানেও চোখ মেলি,
কিন্তু,সমীকরণ পাই না,পাই শুধু অসীমত্ব,
পাই মহাবিশ্বের অতীতকে নিজের চোখে,
কত ইতিহাস চোখের সামনে বর্তমান হয়ে থাকে!
চারপাশটা ভয়ের বিশ্ব,
ভয়ের সাথে লড়াই করার শব্দগুচ্ছ শিখি নি,
নিজের মাঝে ভয়কে আগলে রাখতে পারি,
এর জন্য ভয় যদি কখনো বাহবা দিতো-
তাহলে অভ্যন্তরীণে কোষীয় শক্তির বাহিরেও
একটা আলাদা শক্তি পেতাম,
সময়ের বর্তমানে,অতীতের হাত ধরেই ভবিষ্যৎ পাচ্ছি,
উত্তরপূর্ব আকাশে এল্ট্যানিন তারার অস্তিত্বকে
মনে ভেতর খুঁজে বের করার সমীকরণ পরিবর্তন চলে,
তবুও ভয়েরা আশেপাশে অন্ধকার ও আলো
এই দুইয়ের মাঝেই আমাকে ডুবিয়ে রাখে।