পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় দাঁড়ানোর এক ব্যর্থ স্বপ্ন চোখে
রাতের পর রাত রক্তচক্ষু হয়ে পেরিয়ে যায়
তবুও মনের তৃষ্ণা বিশ্বে কোন জলেই মেটে না,
অহায়ত্ব গ্রাস করে গুটিয়ে ফেলে অন্তরকে
তবুও বেঁচে থাকার স্বপ্নাসাক্ত সীমাকেই খোঁজে,
মহাবিশ্বের জ্বলন্ত তারকারাজি অহংবোধ শিখিয়েছে
এই চোখ অহংবোধ না দেখলেও জ্বলন্ত আলোর-
ক্রিয়া প্রতিক্রিয়াই অনুতপ্ত হয়েই শিখেছে,
চারপাশটা উপেক্ষা করে চলে যায়,
কেউ হাত বাড়ায় না,কেউ স্বীকারোক্তি চায় না,
মানুষ তো সম্পূর্ণ একা,একার একাকীত্বে শহীদ হয়
দিনের পর দিন,রাতের পর রাত,
তবুও অসহায়ত্বকে অতীতের মত পেছনে রেখে আসে,
এতে কী কোন লাভ হয়?
প্রেমিকার বাক্যকে ধর্মের চেয়েও শক্তিশালী লাগে,
প্রেমিক এর ব্যস্ততাকে পতিতালয়ের সম্ভোগে রূপান্তর করে,
দিনের সাথে মানুষের অসহায়ত্ব এভাবেই হয়,
রাতের সাথে মানুষের অসহায়ত্ববোধের বিকাশ এভাবেই হয়,
আজকাল পৃথিবী একা থাকার নিঃশ্বাস দেয় প্রশ্বাসে
আর আমি মানব প্রশ্বাসে গ্রহণ করি অভিশাপ
আর নিঃশ্বাসে ত্যাগ করি পৃথিবীর মায়া।
মা,বাবা,ভাই,বোন সবই জীবন্ত সত্ত্বার মৃতরূপ,
আমি,আমার প্রেম,আমার ভালোবাসাও
অসহায় এ আত্মার মৃত রুপের অভাবী।
আজকাল মহাবিশ্ব বেশ ফাঁকা লাগে,
এক অসীম পথের সসীম যাত্রায়
সূর্যের অভ্যাসে বড় হচ্ছি,
চাঁদের অভ্যাসে উৎসব পাচ্ছি,
নিঃস্তব্দতা নেই,চারপাশে আওয়াজের ঘনঘটা
আজ আমাকে অসহায় করেছে
শব্দহীন পথে যাওয়ায় বাধ্য করতে তাই পৃথিবীর ব্যধি।