ঘোমটা দিছে বিশ্ববাসি ঢাকতে নিজের দুঃখ।
কেমন করে দেখাবে সে তার পাপি মুখ।
সভ্যতাকে করতে ধারন পশুর আচরন!
আসলটাকে বন্ধিকরে নকল জাগরন।

নিজেরহাতে মারছে কুড়ালে নিজের দুটি পাঁয়!
রক্ত ক্ষরন হইছে শুরু জীবন রাখা দায়।
বিশ্বটাকে করতো শাসন বাহাদুরের দল।
দেশে আইছে করোনাতাই কোয়ারান্টাইনে চল।

থমকে গেছে পৃথিবীটা নাই যে ক্ষমতা।
ঘরের কোণে বন্দি সবাই যত বড় নেতা।
এই ক্ষমতা নিয়ে তোমার ছিলো বাহাদুরি!
রাস্তা ঘাটে পরে মানুষ করছে আহাজারি।

মানুষ মরে শেষ হলো সব কোথায় মানবতা?
নাকিমানুষ বিহিন এই সমাজে পুতুল কবে কথা?
হন্যে হয়ে ছুটছে মানুষ অজানার পিছে।
যেন ভিন গ্রহে আমরা সবাই ভালোবাসা মিছে!

যুগে যুগে মহামারি এমনি করেই আসে।
অসহায় হয়ে পৃথিবীটা চোখের জলে ভাসে।
রাজা মরে প্রজা মরে, মরে চাষি কুলি।
মরন যখন সামনে আসে সব ভেদাভেদ ভুলি।

এই সমাজই তৈরি করে প্রাচির ব্যাবধান।
সেই প্রাচির ভাঙ্গছে এখন মালিক রহমান।
তোমার আযাব রুখতে পারে এমন শক্তি কার।
দয়া করো প্রভু তুমি এবারটা দাও ছাড়।

মানুষ যদি না থাকে তবে কেমন পৃথিবী!
মোরাই নাকি তোমার কাছে প্রিয় অতিথি?
দুর করো সব আপদ বিপদ তোমার করুনা।
ধরা হতে তুলে নাও এই আজব করোনা।