গিন্নি তুমি কতই ঘুমাও!?
উঠ তড়াতাড়ি।

মুয়াজ্জীন ঐ আজান দিল,
রাত নাই আর ভারি।

নামাজ পড়ে মাঠে যাবো,
চাষ করতে জমি।

পান্তা ভাতে মরিচ দাও,
এক্ষুনি আনি তুমি।

লাঙ্গল নিয়ে মাঠে গেলাম,
সাথে বলদ জোড়া।

দুপুর বেলা খাবার দিও,
সানকি খানি ভর।

মাঠে যেনো যায় ছেলে,
সাথে নিয়ে পান।

রোদে পোড়া শরীর আমার,
তবেই পাবে প্রান।

গিন্নি এবার মুচকি হেসে,
বলে ওগো স্বামী।

মাঠের কাজে তুমি যাবে,
ঘরের কাজে আমি।

সালাত শেষে গোবর ফেলে,
ভানতে হবে ধান।

তবেই তুমি খাবার পাবে,
না করো অভীমান।

ছায়ায় বসে খেয় তুমি,
দুপুরের খানা।

খাবার শেষে তাড়াহুড়া,
কঠোর ভাবে মানা।

বিকেল বেলা মাঠ হতে,
ফিরবে যকন নীড়ে।

দেখে যেনো মনে হবে,
ঘরে ফিরছে বীরে।

স্বামী এবার হেসে বলে,
নেয়ামত তুমি ঘরে।

দেখি তোমায় বারে বারে তবু,
পরান নাহি ভরে।

তোমার তরে খুশি আমি,
বলো কি নিবে?

হাতের চুড়ি, কানের দুল,
এনে তুমি দিবে।

কথা দিলাম খোদার দয়ায়,
ফসল ঘরে তুলে।

তোমার চাওয়া করব পুরন,
যাবো না যে ভুলে।

গোলা ভরা ধান পেয়ে,
মন হবে ধন্য।

মসজিদে সিন্নি দিয়ে,
তাই করব যে নবান্ন।।