হারিয়ে যাওয়া কৈশোর নিয়ে নানা অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির গল্পটুকু তুলে ধরতে চেয়েছি। যেখানে ফেলে আসা কৈশোরের সাথে পাঠকেরাও খুঁজে পাবে তাদের সোনালী দিনের স্মৃতিকথা।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৪ এপ্রিল ১৯৯৫
গল্প/কবিতা: ২৬টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৫২

বিচারক স্কোরঃ ২.১২ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৪ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কৈশোর (সেপ্টেম্বর ২০১৯)

শৈশব কৈশোর
কৈশোর

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৫২

নৃ মাসুদ রানা

comment ৪  favorite ০  import_contacts ৯৬
সবে তো মাত্র শৈশবে কৈশোর আছে হাতে।
রাত্রি জেগে চাঁদ-তারা দেখা উঠান আঙিনাতে।
খাঁ খাঁ রোদ্দুরে হাটাহাটি আপনা-আপনি ঘোরাফেরা।
মাঠে মাঠে ঘুরেফিরে ঘাস ফড়িং আর ঝিঁঝিঁ পোকা ধরা।

সকাল দুপুর বিকেলে উড়াই নাটাই ঘুড়ি।
মাঝ নদীতে অকারণেই দলবেঁধে ঢেল ছুড়ি।
নারিকেলের ডাগর দিয়ে ঠেলা গাড়ি বানাই।
পাখির বাসা খুঁজে খুঁজে অকারণেই হারায়।

পিছুপিছু দৌড়াদৌড়ি গরুর বাছুর কিংবা ছাগল ছানা।
গাছে গাছে ঢিল ছোড়া সারাদিন একটানা।
বকুনি পিটুনি আদুরে গালিতে দূর দূরে থাকি।
ভয়ে ভয়ে প্রিয় মাকে আমতাআমতা ডাকি।

যেনতেন বিষয়ে নিয়ে মারামারি কাড়াকাড়ি।
ঝগড়া ঝামেলায় একটু হলেই সহপাঠীর বই ছিঁড়ি।
কিছুক্ষণ পর মিল ইই আবার চকলেটের লোভে।
ঝগড়াঝাটি মানঅভিমান ভুলে ভাগাভাগি সমানভাবে।

ডাংগুলি গোল্লাছুটে হৈ-হুল্লোড় হইহট্টগোলে মাতি।
কলা গাছের ঘর বানিয়ে বিলাই চড়ুইভাতি।
নৌকা নিয়ে বাইচ খেলা নদীতে দেই ঝাপ।
পুঁটি মাছে বক শিকার ওরে বাপরে বাপ।

চাঁদের বুড়ীর সুতো তোলার শুনতাম সেই গল্প।
দাদা-দাদি নাতির কাছে বলতো কি আর অল্প।
সন্ধ্যে রাতে ভাসতাম গল্পে দাদা-দাদির কাছে।
জ্বীন-পরী ভূত রাক্ষস খোক্কশ আরও যত আছে।

ভয়ে ভয়ে ঘুমিয়ে যেতাম সকাল হলেই ঠুস।
অতশত গল্প ভুলে ফিরে পেতাম হুঁশ।
বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলা ছিলো ছদ্মবেশ।
স্মৃতি গুলো মনে পরলেই দেখি বয়স শেষ।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement