বাবা শব্দটি বটগাছের মতো। যে প্রতিসময় সন্তানের ছায়া হিসেবে পাশে থাকে। আগলে রাখে শত দুঃখ কষ্টে। পৃথিবীতে দুটি শব্দের মধ্যে একটি প্রিয় শব্দ হলো বাবা শব্দটি। পৃথিবীতে প্রথম কোন বন্ধু থাকলে, খেলার সাথী থাকলে প্রথমেই চলে আসে বাবা নামক শব্দটি। তাই প্রত্যেকেরই বাবার প্রতি আলাদা একটু টান থাকে। সেই বাবাকে নিয়ে থাকে নানারকম স্মৃতি যার সবটুকুতেই বাবা নামক শব্দে ভরা। আর এই স্মৃতিটুকুকে সম্বল করেই আমার কবিতা। আশাকরি পাঠক হৃদয়ে নাড়া দিয়ে যাবে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৪ এপ্রিল ১৯৯৫
গল্প/কবিতা: ২৪টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৬৫

বিচারক স্কোরঃ ২.০৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - বাবা (জুন ২০১৯)

বাবার স্মৃতি
বাবা

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৬৫

নৃ মাসুদ রানা

comment ৮  favorite ০  import_contacts ১৫৪
থেঁতলে গেছে পুরানো হুঁকা
বৃদ্ধ নিশ্বাস এখনো বাজে গহীনে।
চশমার ফ্রেম পরে আছে ছাইপাঁশে
ভাসে এখনো রাগী গর্জনে।

তেল মাখানো বাঁশের লাঠি
ঝুলছে এখনো পুরনো ঘরের খামে।
বাঁশিটা আজও খাটের তলায়
সুরগুলোও নজরবন্দী ভাসে থেমে থেমে।

বাঁশের বৈঠায় মাকড়সার জাল
ডিঙি নৌকা ভেঙে চুরমার খাল-বিলে।
বড় ঘুড্ডিটা এখনো টাঙানো
পাহারায় বয়স্ক ঘরের চালের টিনে।

পুরানো তছবীটা এখনো হেলেদোলে
মসজিদে বয়স্ক বৃদ্ধ শতসহস্র গোনে।
পুরানো টুপিটা ভাঁজ হয়ে আছে
খাটের বাক্সে স্বযত্নে সংগোপন।

পিতলের বদনাটি ঝকঝকে জ্বলে
গড়গড়িয়ে ওজুর শব্দ এখনো বাজে।
পবিত্র কুরআন শরীফ রেহালে রাখা
গুনগুনিয়ে মধুর সুর প্রতীকী সাজে।

নিমগাছটিও বেশ বৃদ্ধ বটে
ডালগুলো এখনো চমৎকার কথা বলে।
অভিমানে কাঁদে পুকুর পাড়ের তালগাছ
খেজুরের রসে তোমার হাতের গন্ধ মেলে।

কাঁদি বারেবারে স্মৃতির স্মরণে
রেখে যাওয়া আসবাবপত্র মুখচ্ছবি দেখে।
চলে গেলে চিরতরে চিরবিদায়ে
স্মৃতিগুলো ডুকরে কাঁদে পাহারায় মেখে।

স্বপ্নে দেখি প্রিয় প্রতিচ্ছবি
রোজ রাত সকালে পড়ি দোয়া-দরুদ।
বাবা! ভালো থেকো পরপারে।
আল্লাহ তোমায় বেহেশতে নসিব করুক।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement