বাবা। এই দুই অক্ষরের শব্দে লুকিয়ে আছে বিস্তর-বিশালতা। সকল প্রতিকূলতার মাঝে যার ওপর চোখ বুঝে আস্থা রাখা যায়; সকল কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকারের বিনিময়ে যিনি তার পরিবারটাকে আগলে রেখেছেন, তিনিই তো বাবা। বাবাকে নিয়ে যদিও বেশি কিছু তুলে ধরতে পারি নি তবে যতটুকুই লিখেছি সাবলীলভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৫ জানুয়ারী ১৯৯৯
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftপিতৃত্ব (জুন ২০১৮)

একজন সত্যিকারের হিরো
পিতৃত্ব

সংখ্যা

আল মামুনুর রশিদ

comment ০  favorite ০  import_contacts ৩৯
যখনি আঁধার ছেড়ে তুমি এসেছিলে এ ধরায়;
মায়ের সাথে সাথে সে আনন্দে গিয়েছিল হাড়ায়।
তোমার আগমনী ধ্বনিতে মুখরিত করেছিল প্রতি কোণ,
সেই তোমার বাবা; তোমার জীবনে সত্যিকারের হিরো একজন।

উঠে দাঁড়াবার শক্তি যখন ছিল না তোমার পায়,
হাতটি তার বাড়িয়ে দিয়েছিলㅡহেঁটে চলবে তুমি তাই।
তোমার মুখে অন্ন দিতে করল নিজেকে ক্ষয়;
তোমার জন্য কৃপণ বাবা করিত ধনোসঞ্চয়।

সংসারেতে ঝড়ত যখন বিষাদময় দুর্দশা,
কষ্টগুলো নিজের করে দিয়ে যেতেন ভরসা।
বাবা মানে ত্যাগের পাহাড়, মস্ত উদার বক্ষ;
তার ছায়াতলে শান্তির আঁচㅡতিনি তো বটবৃক্ষ।

তোমার দোষে জগতে যখন কৃপাময় হতো না কেহ,
তখনি তিনি বুকে টেনে নিয়ে ঢালিতেনㅡআছে যত স্নেহ।
স্নেহের সাথে সাথে আর্দ্র নয়নে দেখতেন কত স্বপন,
পরম তৃপ্ত হবেন তখনㅡবড় হবে তুমি যখন।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

    advertisement