ঠক ভয়ঙ্কর, বাস তার বুকের পকেটে:
ঠকায় ভীষণ, নয় বলবার – বলবও না কভু
কইব না কার ঘোলা জলে কে ধরে মাছ
কার ঘাড়ে পা রেখে চাখে শিকেয় বাঁধা দই
কার মাথায় কে ভাঙছে কাঁঠাল অহরহ
কোন ভুঁইফোঁড় ছিনিয়ে নেয় বিজয়-মশাল ।
আম মহলে ছড়ায় ঘোল, চাটে বসে মাখন
খাসে – কে সে? পোহায় রাত নটীর নূপুরে
মুখোশ পরে সুধীকুলে সাজে প্রাণনাথ -
ওই প্রাসাদের গাঁথুনি আমার হাড়ের
ওই ফরাসের গুলে লালায় আমার রক্তছোপ
জানাব কাকে? বলব না আর ওসব।
চোর যে পাকা – সেসব কথা বলব না আজ
বর্ণচোরার গলায় ঝুলুক সোনার পদক
আঁতেলগুলোর ঝোলা ঠাসা আঁধার কালোয়
চুরিয়ে নিয়ে পাকা ফসল পরের গাছের
বিলায় প্রসাদ, দাতা সাজে মসজিদে মন্দিরে
থাক সে কথা, নয় বলবার – ক্লান্ত অনেক।
শামিয়ানার জ্বলমান ওই হ্যাজাক বাতি
আলো ফেলে কতকগুলো চেনা মুখের ওপর
ওই হ্যাজাকের তেলের ওপর আমার দাবি
ওদের খড়ম দাগ ফেলে যায় আমার পিঠে
আমার পেশি পেঁচিয়ে নিয়ে পায়ের গোছায়
কেমন তারা জোর কদমে পথ মাড়িয়ে যায়।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
ভয়ঙ্কর
১৯ নভেম্বর - ২০১৭
গল্প/কবিতা:
১৮৭ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।