একদিন সোনালী অঘ্রান এসে ঢেকে দিলে
ঘুমের রাত, আমি স্বপ্নের আকাশ জুড়ে শঙ্খচিল হই –
আমার দৃষ্টি তখন রূপালি ইলিশ
জল কাটে পদ্মার উজানে।

বসন্তের নাটাই হাতে মুখর কোকিল, আমাকে
ভাসিয়ে রাখে গোধুলির সুতোয় –
রাঙা-নীল-হরিৎ-পীত পরত পরত
সারা গায়ে জলছবি আনন্দের ছোপ।

কখনও রক্তিম হয় সূর্যের চোখ, ঝরে পড়ে
গনগনে ক্ষোভ – রাগে ক্রোধে আমিও কাঁপি;
তারপর ভাসায় চোখ অঝোর ধারায়
রাগ পড়ে গেলে; পড়ে যায় অবশেষে।

এক ভোরে স্নান সেরে পরিপাটি শাপলার মিছিল
ঢলঢল ভরা বরষায়, আমি ফড়িং হয়ে
কখনও জল ছুঁই, কখনও আড়ষ্ট হয়ে
জড়াই পরাগে, দলে।

ঊষার চড়ুই, অকৃত্রিম বন্ধু আমার, প্রতিদিন বলে
যায়, চোখ খোলো – স্বাধীনতা মানেই খোলা চোখ ।