ডুবে যাই আবার
অলস,অবশ আমার মস্তিষ্ক

সময় এর মাঝে আমাকে রেখেছিল আটকে,

এক সংকীর্ণ খাঁচার মাঝে মাঝে,

যেখানে হাত বাড়ালেও আলোর স্পর্শহীন থাকতে হয়।

একদিন মুক্তি আমি পাই

আবার পৃথিবীর শুকনো মাটিতে পা দেই

প্রথম সূর্যের আলো দেখে আমি লুকিয়ে যাই,

হারিয়ে যাই নতুন দুঃস্বপ্ন গুলোর মাঝে,

স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস হয়না এখন আর।



আমি স্বপ্ন দেখা বাদ দিয়েছি,

এখন নিজের মৃত্যুর তৈলচিত্র এঁকে যাই,

অন্ধকার ঘরে একা বসে।

আলো চেয়েছিল আসতে,

আমি চাইনি তাকে।

কারণ আলো ছুতে গিয়ে আমি দেখতে পাই

দেখতে পাই আমার মত অনেককে যাদের নিজেদের সত্তা

গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে আছে,

শুধু দেহটাই রয়ে গিয়েছে পৃথিবীর পথে পথে ঘুরে শ্রান্ত হওয়ার জন্য।

আমাদের দেহগুলোও বারে বারে পথ হারিয়ে ফেলে।

বারেবারেই পথ হারিয়ে ফেলাদেরকে ঈশ্বরও ভুলে যেতে পছন্দ করেন হয়তোবা।

নিজের গলায় নিজেই ছুরি ঠেকিয়ে আয়নাতে অন্যের প্রতিবিম্ব দেখলে

ঈশ্বরকে দোষী ভাবাটাই একমাত্র নিয়তি।



আমি ডুবে যেতে থাকি ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের কারখানা অলি গলিতে,

আর ডুবে যেতে যেতে দেখি আমার স্বপ্নগুলোকে কে যেন ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে।

আমি হাত বাড়াতে গিয়ে থেমে গেলাম............তারপর ডুবে যেতে থাকি আবার।