লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৮ মার্চ ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ১টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftনববর্ষ (এপ্রিল ২০১৭)

জীবনের ঝরো বৈশাখ
নববর্ষ

সংখ্যা

ইয়াসির আরাফাত জয়

comment ০  favorite ১  import_contacts ৩৩০
কাল পহেলা বৈশাখ নুরু গ্রামের বাজার থেকে বাজার করে গ্রামের পথ ধরে বাড়ি ফিরছে একটা ইলিশ মাছ ও নিয়েছে
পথে রজব আলির সাথে দেখা ,রজব আলি নুরুকে দেখে বলে কি মিয়া ইলিশ কত নিলো বেশ বড় সাইজতো কিনছো দেখছি ,,নুরু মিয়া জবাবে বলে হ চাচা কালকে বোন ভাগনিরা আইবোতো তাই আর কি । রজব আলি বলে ও বুজছি ভালা কথা তারাতাড়ি বাড়ি যাও আমি তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে আসতে লাইগা দেখলাম সুমমন পাগলা তোমার বাগানের ফুল ছিরছে ,,নুরু মিয়া শুনে বলে চাচা ছিরুকগে ফুল ও তো ফুল ছিরছে গ্রমবাসি তো ওর জীবন টাই ছিরে দিছে ও আমার বাগানের ফুল ছিরলে আমার আরো ভালো লাগে এইবলে নুরু বাড়ির দিকে রওনা হয় ।
নুরু আর সুমন দুইজন একসময় ভালো বন্ধু ছিলো নিয়তির চরম পরিহাসে আজ সুমনের এই পরিনিতি ,, গ্রামের সেরা মেধাবি ছিলো সুমন ছোটবেলায় বাবা মা মারা যাবার পর নিজেই সংসারের হাল ধরেন গ্রামের বাচ্চাদের পরাশোনা করাতো এবং শত কষ্টেও নিজেও পরাশোনা করতো ,,এভাবে কেটে যাতছিলো সুমনের দিন কাল কে জানতো ওর সহজ সরল জীবনে এমন সময় নেমে আসবে ,,একদিন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সুমন গ্রামের পথ ধরে পাশের গ্রামে মেলায় যাতছিলো এমন সময় পথে বৃষ্টি চলে আসে সে তারাতারি করে পাসের ধানের জমিতে পনিদেবার জন্য শ্যলো মেশিন এর ছ্্্্্উানি দেয়া ছোট্ট ঘরে আচরয় নেয় ইতি মধ্যে তার পেছন পেছন আরো দুই টা মেয়ে দৌরে সেখানে আসে এক জনকে সুমন চিনতে পারে গ্রামের মল্লিক বাড়ির রমেষ মল্লিকের মেয়ে আরেক জনকে চিনে না আচমকা বৃষ্টিতে তারা হালকা ভিজে গেছে ,,সুমন মেলায় যাবার জন্য সাদা পানজাবি আর গামছা পরে আছে সে তার গামছা তাদেও দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল আপনারা ভিজে গেছেন এটা দিয়ে মুছে নিন নাহলে আবার জ্বর আসতে পারে অপরিচিত মেয়েটি হালকা হাসি দিয়ে বলল আপনি ডাক্টার নাকি রমেষ মল্লিকের মেয়ে তার কথা শুনে বলল আরে দিদী উনিতো আমাদের সুমন ভাই গ্রামের বাচ্চাদের পরাশুনা করায় তার পর মেয়েটি সুমনের হাতথেকে হালকা মিষ্টি হাসি দিয়ে গামছাটি নিয়ে মুছতে থাকে সুমন অন্যদিকে তাকায় তা দেখে মেয়েটি রমেষ মল্লিকের মেয়েকে বলে কিরে ছন্দা তোদের মাষ্টার দেখছি খুব লাজুক ছন্দা শুনে বলে দিদী এখানেও তুমি দুষ্টামি শুরু করে দিলা ,,তার পর মেয়েটি সুমনকে বলে এই যে মাষ্টার সাহেব এবার ঘুরুন আপনার গামছাটা নিন সুমন ঘুরে দারায় এবং তার চোখে চোখ রেখে হালকা হাঁসি দিয়ে গামছাটা নেয় ,,তার পর মেয়েটি সুমনকে বলে আপনার পরিচয়তো জানলাম আমার টাতো বলাই হলো না আমার নাম পুষ্পা রানি আমি ছন্দার পিসির মেয়ে সুমন শুনে বলে বাহ বেশ সুন্দর নাম তা আপনারা মেলায় ঘুরতে যাতছিলেন বুঝি ছন্দা বলে জী সুমন দাদা আমরা মেলায় যাতছিলাম সুমন বলে আমিও মেলায় যাতছিলাম ,,এবার পুষ্পা বলে চলেন তাহলে এবার বৃষ্টি থেমে গেছে আমরা একসাথে গল্প করতে করতে যাই আর আপনার কাছথেকে আপনাদের গ্রাম সম্পর্কে শুনি সুমন বলে অবশ্যই চলুন তাহলে তারা ছাউনি ঘর থেকে বের হয়ে আবার মেলার উদ্দেশ্য রওনা দেয় ,,বৃষ্টির পর গ্রামের চিরো সবুজ পরিবেশ মনটা ফ্রেশ করে দেবার মতো হালকা বাতাস এসে মাঝে মাঝে গায়ে লাগছে সুমন পুষ্পা আর ছন্দা পাশাপাশি গ্রামের মেঠো পথ ধরে হেটে চলছে এ যেন এক স্বগিয় অনুভুতি ,,মিনিট দুয়েক হাটার পর পুষ্পা সুমনকে বলে কি গো মাষ্টার সাহেব কিছু বলছেন নাতো সুমন বলে সুন্দর, পুষ্পা বলে কে ? সুমন বলে না আসলে পরিবেশটা এখন খুব সুন্দর পুষ্পা মায়াবি হেসে বলে ও আমি ভাবলাম না থাক । সুমন বলে কি ভাবলেন ? পুষ্পা বলে আসলেই খুব সুন্দর পরিবেশ । তা আমাদের মেলায় পৌছাতে আর কত সময় লাগবেরে ছন্দা, ছন্দা বলে এইতো আপু আর মিনিট দশেক পুষ্পা বলে ও ভালো হাটতে বেশ ভালোই লাগছে এমন পরিবেশে । পুষ্পা হাটছে আর বার বার সুমনের দিকে তাকাতছে সুমন অবশ্য বিষয় টা আগেই লক্ষ করেছে ,পুষ্পা সাদা শারির মাঝে লাল আচল ওয়ালা একটা শারি পরেছে আর কপালে লাল টিপ সবমিলিয়ে পুষ্পাকে জবা ফুলের ডালির মাঝে সাদা সদ্য ফোটা গোলাপের মতো লাগছে ,,পুষ্পা একটু হাফ ছেরে বলে শহরের কোলঅহল থেকে বেরিয়ে অনেক দিন পর ভালোই লাগছে মেলার মাঠে পৌছাবার কিছু সময় আগে সুমন বলে পৌছেগেছি প্রায় এক সময় আমাদের স্কুলের ওপর থেকে ঘুরে যাবেন বাচ্চাদের দেখে অনেক ভালো লাগবে আর গল্প করাও হবে ,পুষ্পা বলে কেনো আমাদের সাথে এখন ঘুরতে কি আপনার খারাপ লাগছে সুমন বলে না কেন ? পুষ্পা বলে না আমাদের বিদায় জানাতছেন তাই আরকি ,,সুমন বলে মোটেও না ,,এবার পুষ্পা বলে তাহলে চলেন আমরা মেলায় একসাথে ঘুরব সুমন একটু মাথার পেছনে হাত নিয়ে হালকা হাঁসি দিয়ে বলে চলেন তাহলে ,,সেদিন পুরো বিকেল তারা মেলায় ঘুরাঘুরি করে সন্ধায় আবার গ্রামের পথ ধরে বাড়ি ফেরে মল্লিক বাড়ির কাছে সুমন পুষ্পাদের তার স্কুলে আসার দাওয়াত দিয়ে বিদায় নিয়ে বাড়ি ফিরে । পুষ্পারা বাড়ি ফিরতেই রমেষ মল্লিক তাদের বলে কিরে মা তোরা কেমন ঘুরলি গ্রাম কেমন লাগল পুষ্পা বলে মামা খুব সুন্দর এই গ্রাম আর মানুষ জন খুব সহজসরল মনে হয় রমেষ মল্লিক শুনে বলে হাঁ এবার যা হাতমুখ ধুয়ে নে তোরা তারা ভেতর কামরায় চলে যায় । এদিকে সুমন বাড়িফিরে ঘরের বারান্দায় হারিকেন এর আলোয় শরৎ চন্দ্রের দেবদাশ উপন্যাস খানি পরতে থাকে বইটা সুমন এর আগে অনেক বার পরেছে তবু কেমন যানি আজ আবার বার বার পরতে ইচ্ছা করছে সুমনের,সে বই পরছে আর বার বার পুষ্পার কথা মনে পরছে ,একটু পরা থামিয়ে ভাবতে থাকে সে পুষ্পা আসলেই পুষ্পা কত সুন্দর তার হাঁসি কথাবলা বার বার সুমনের মনে পরতে থাকে তার ভেতর অন্যরকম ভালোলাগা কাজকরতে থাকে হারিকেনটা নিভিয়ে সে শুধু বিকেলের কথাগুলোই মনে করতে থাকে । রাতের খাওয়াদাওয়ার পর পুষ্পা ছন্দাকে বলে তোদের সুমন মাষ্টারের স্কুলটা কোন জায়গারে ছন্দা বলে বেশি দুর নয় দিদি আমাদের বাড়ির ছাদ থেকে শ্বশানের যে বড় বটগাছটা দেখা যায় যে নদির ধারে ওইটার কাছেই ,পুষ্পা বলে ওইখানে নদিতে নৌকা পাওয়া যায় না ছন্দা বলে পাওয়া যায় মনে হয় ,পুষ্পা বলে তাই তাহলে কালকে নদিতে নৌকায় ঘুরব আর তোদের মাষ্টারের স্কুল দেখাও হবে বেচারা এতোকরে বলল । ছন্দা শুনে বলে যাওয়া যাবে এখন ঘুমাও তো দিদি এই বলে ছন্দা ঘুমিয়ে যায় পুষ্পার ঘুম আসছিলো না সে বার বার সুমনের কথা ভাবতে থাকে আর এপাশ ওপাশ করতে থাকে ,, বৃষ্টির পানির ছেচা গায়ে পরতেই সুমনের ঘুম ভেংগে যায় সে বারান্দায় কখন বইটা বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে গেছিলো মনে নাই রাতে বৃষ্টির কারনেই তার ঘুম ভাংগে তারাতারি করে ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পরে পরের দিন সকালে সুমন স্কুলে যায় বাচ্চাদের পরাতে স্কুলে যাবার কিছু সময় পর পুষ্পা আর ছন্দা তার স্কুলে আসে সুমন তাদের দেখে হাসি মুখে বলে কেমন আছেন পুষ্পা বলে ভালো না থাকলে এইখানে আসতাম সুমন আবার একটু হেসে বলে আপনার সাথে কথায় পারা যাবে না চলুন ভেতরে বসুন ভেতরে বসে সুমন কে পুষ্পা বলে আপনি একাই স্কুল টা চালান নাকি সুমন বলে হাঁ আমি গ্রামের বাচ্চাদের একাই পরাই এই অজপরা গ্রামে কেও আসতে চায় না । পুষ্পা সবশুনে বলে বুঝলাম তা আরো একটা কাজে আপনার কাছে আসলাম সুমন বলে কি কাজ পুস্পা বলে আমাদের নৌকায় করে নদিতে ঘুরিয়ে আনতে হবে । সুমন বলে এখনতো প্রায় দুপুর হতে চলল বাহিরে রোদ্ররো খুব গরম লাগবে আর এখন নৌকা ও পাওয়া যাবে না ,আপনারা বিকেলে রোদ পরলে আসেন আমি নৌকা রেডি করে রাখব তার পর পুরো বিকেলটা ঘুরব নদিতে । সুমনের কথা শুনে পুষ্পা বলে আচ্ছা তাই হবে বিকেলে আসব এখন যাই । তার পর বিকেল বেলা পুষ্পা আসে একা সুমন তাকে একা দেখে বলে একা কেন ছন্দা কোথায় পুষ্পা বলে ও ঘুমাতছে তাই আমি একাই এসেছি কেন ্আপনার ভালো লাগছে না একা এসেছি বলে?

সুমন বলে তা ঠিক নয় তাহলে চলুন এবার তার পর তারা নদিতে নৌকায় ঘুরে বেরায় পুষ্পা নৌকার মাঝে বসে রবিন্দ্র সংগিত গাই তে থাকে ” আমারো পরানো যাহা চায় তুমি তাই তাইগো ”,সুমন নৌকা চালাতে চালাতে বলে বাহ বেশ ভালো গান গাইতে পারেন তো আপনি দেকছি । পুষ্পা বলে কি সেই কাল থেকে আপনি আপনি বলে চলেছেন আমায় তুমি করে বল্লেই খুশি হবো সুমন পুষ্পার দিকে অপলোক কিছু সময় তাকিয়ে থেকে বলে পুষ্পা তুমি খুব সুন্দর ,পুষ্পা সুমনের কথা শুনে লজ্জায় লাল হয়ে কিছু সময় চুপ থেকে বলে তাই সুমন বলে হাঁ তুমি আসলেই পুষ্পা আমার দেখা পৃথিবির বুকে শ্রেষ্ঠ পুষ্প । পুষ্পা বলে আপনিও বেশ সুন্দর বুজলেন মাষ্টার সাহেব ,সুমন বলে তাই নাকি কেও আমাকে এই প্রথম সুন্দর বল্লো পুষ্পা হেসে বলে সুন্দর না হলে কি আর প্রথম দেখাতেই প্রেমে পরেছি তোমার, সুমনের পুষ্পার এই কথা শুনে মনের মাঝে খুশির জোয়ার বয়ে যেতে থাকে তার পর একটু ভেবে বলে পুষ্পা তুমি কি বলছো ভেবে দেখেছো তুমি হিন্দু আর আমি মুসলিম এ হয়না । পুষ্পা সুমনের কথাশুনে বলে সুমন ভালো বাসায় হিন্দু মুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই ভালো বাসা যার যার মনের ব্যপার । সুমন বলে আমাকে একটা দিন সময় দাও তার পর আমি ভেবেন দেখি । তার পর সুমন পুষ্পাকে ঘাটে নামিয়ে দিয়ে বাড়ি যায় সারা রাত ভাবতে থাকে এটা ভুল নাকি ঠিক তার মন বলছে ঠিক বিবেক বার বার বাধাদেয় ,পরের দিন পুষ্পা ছন্দার সাথে আবার সুমনের স্কুলে আসে সুমন তাকে এরিয়ে যাবার চেষ্টা করে পুষ্পা একটা কাগজে লিখে সুমনের মামনে রেখে চলে আসে তাতে লিখা আজ রাত ১২ টায় শ্বশানের বটতলায় আসবো তুমি যদি না আসো তাহলে কালকে আমাকে শ্বশাণে পুরতে দেখবা । সুমন চিন্তায় পরে যায় কি করবে সে ,,সেও পুষ্পাকে খুব ভালো বেসে ফেলেছে সুমন সেদিন রাত ১২টায় শ্বশাণের বটতলায় অপেক্ষা করতে থাকে চারিদিক রাতের নিরবতা নেমে এসেছে মাঝে মাঝে বটগাছের ডালে প্যাচা ডাকছে মিনিট ১০ শেক অপেক্ষা করার পর পুষ্পা আসে সুমন কে দেখে জরিয়ে ধরে কেদে বলে সুমন আমি তোমায় খুব ভালোবাসি প্রয়োজনে আমি আমার ধর্ম ত্যাগ করবো তবুও তোমাকে ছারা থাকতে পারবো না ,এর মাঝে ২০ Ñ৩০ জন গ্রাম বাসি মশাল হাতে শ্বশানের চারি পাশে ঘিরে ফেলে রমেষ মল্লিক পুষ্পার ঘর থেকে বের হওয়া লক্ষ করে তার পিছুনেয় লোক জন নিয়ে রমেষ মল্লিক সুমনকে বলে সুমন তোরে আমরা গ্রামবাসি খুব ভালো জানতাম আর তুই মুসোলমান হয়ে আমার ভাগনিরে ছি ছি , সে সবাইকে সুমনকে বেধে মারতে মারতে তার বাড়িতে ধরে নিয়ে যেতে বল্লো আর পুষ্পাকে মারতে মারতে নিয়ে গেলো সারারাত সুমনকে বেধরক মারার পর সকাল বেলা শালিস ডাকা হলো গ্রামের মুসলিম এবং হিন্দু মাতব্বরা সুমনরে ফতোয়ার ম্যধমে দুই শত ঘা বেতের আঘাত এবং চুল নেড়া করে জুতার মালা গলায় দিয়ে গ্রাম ছেরে যাবার আদেশ দিলো সারারাত বেদম প্রহরের পর সুমনের আর মারার জায়গা নেই শরিলে পুষ্পাকে ঘরে রাত থেকে আটকে রাখা হয়েছে সুমনকে দুইশত বেতের আঘাত করার পর নেড়া করে গ্রমের শেষে ফেলে আসা হলো ইতি মধ্যে খবর এলো পুষ্পা ফাসি নিয়ে আত্বহত্যা করেছে সুমন খবরটা শোনার পর আহত শরির নিয়ে ছুটে যায় মল্লিক বাড়ি পুষ্পার মুখখানি দেখে সুমন হাসতে থাকে আর কপাল চাপরাতে থাকে সেদিনের পর থেকে সুমন আর কোনো দিন কথা বলেনি পুষ্পাকে শ্বশানের বট গাছের নিচে চাপা মাটি দেওয়া হয় তার পর থেকে সুমন পুষ্পার কবরে প্রতি দিন সকাল বিকাল কয়েকটা জবা আর একটা গোলাপ ফুল দিয়ে পুষ্পার কবরের পাসে বসে থাকে নামাজের সময় মসজিদে যায় মাটি দিয়ে ওযু করে নামাজ পরে আর সন্ধায় মন্দিরে গিয়ে পুজা করে । গ্রামের লোক তাকে সুমন পাগলা বলে ডাকে

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

    advertisement