রূপের স্লোগান শুধু তোমাকে মানায়
নিয়ন বাতির সমাজে নই আলাদা মানুষ
তোমার মত করে তুমি মাপতে পারো বহুকালের প্লাবন।
বদলাতে পারো গিরগিট রং গাছ অথবা পাতায়-
বে-হুস থেকে হুস করে রূপ-সঙ্গীতের লীলা।

মাতাল মধুকরে পিলাবে রূপ-সুধা,
এ তোমার দম্ভের ভাষণ!
অনাথ পেঁচা,দাঁড়কাক কিংবা সারস গোত্রীয় পক্ষীকুল!
অঢেল ব্রাহ্মণ্যবাদ যৌবনের আনাচে কানাচে
নিতান্তই শুদ্র এ মন তোমার সেবক।

তোমার ম্লেচ্ছ অনলে পুড়ে স্বপ্ন প্রদেশ,
তবে কী এখানেই শেষ সারথী অবগাহন!
গাঙ তো নয় যেন সরল ক্ষুধা-
সম্পদের যাতাকলে বানালে ছুঁতাল অনার্য।

দুঃখ দিয়ে দুঃখ ফেরাব
চাইলে মন, দিও দুঃখগুলো ছুঁতে,
বাতায়ন খুলে উদোম আকাশ দেখো-
নিয়ম ভেঙে গুমরে থাকা চর্যাপদ-শরীর।

জানিনা হবে কী যুগল স্নান-
শুভ্র নিরাভরন পূর্ণিমার জলে!
নিঃশব্দ অনুমানে বসে বাতায়ন খুলে
সন্মান বিক্রয়ের কথ বলে দেবনা ঝুট
মুষ্টিবদ্ধ অঙ্গুলি তোমারর যদিও অটুট।

পুড়ানোর আদি নিবাস চোখ কিংবা চঞ্চু
একদিন পুড়বেই অমানবিক ছুঁত,
কালের দাঁতাল স্রোতে ক্ষয়ে অদ্ভুদ সম্পদেরর পাহাড়;
যৌবনের সৌখিন প্রলেপেরর নিচে পড়ে রবে-
আত্মার বিভৎস গিনিপিগ।

হাসবে অবিশ্বাস্য হাসি সরযু গঙ্গা যমুনার-
নদী বিধৌত সভ্যতার তাজমহল।

তখোন কি করে ফেরাবে দম্ভের কোলাহল।