বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ এপ্রিল ১৯৭১
গল্প/কবিতা: ১৫টি

সমন্বিত স্কোর

৪.০২

বিচারক স্কোরঃ ২.২৯ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৭৩ / ৩.০

কবিতা - অধরা (জানুয়ারী ২০১৮)

মোট ভোট ২৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.০২ মোহে দ্রোহে

মোঃ মোখলেছুর রহমান
comment ১৫  favorite ০  import_contacts ২৪১
মোহের অঘোষিত প্রেমে প্লাবিত বদ্ধভূমি
অস্পৃশ্য বিসর্গের বড়শি কামনা-নদে দু-দোল্যমান,
পরোটার ডালে নেই নিয়মের চুমুক;
অদ্বৈত ভালবাসার আখড়ায় লালনের ঝুটি খুলে যায়।

দেহের স্লাঘা রং ফেলে যায় সোনার তরী,
কবির সফেদ চুলে উঠে বারোয়ারি ঢেউ ;
বিদ্রোহী বাবড়িতে নিস্তব্দ বুলবুল-
গাজ্জালির বাঁশি কাঁদে মরমী বেদনায়।

তুমি তেমনি সরস।

প্রেমের ব্যাকরণ মানা ঋজু কবিতা-
দিনের পরতের মত ঝরে যায়,
বিষাদ অবিন্যাস্ত শব্দকোষে খেলা করে বিমর্ষ বালিকা।
চিন্তার শ্লথ ঘামে মেকাপ চুইয়ে ডুরান্ড-লাইন ইচ্ছেগুলো-
ঝরে বেতালের ফুলঝুরি ।

অখিল আকিঞ্চনে মোহে দ্রোহে তছনছ আবাস।

অপৈলব চুম্বন রচে সবুজ বনানী
আগুপিছু পড়ে থাকে আকুতির সমান্তরাল সংসার
অশৈশবে কেঁদে মরে আশৈশব ঘ্রাণ।

তুমি তেমনি অম্লান।

মূক পঞ্চ-ইন্দ্রীয় সরোষে অস্ত্র শানে
অধরার রাজত্বে বিদ্রোহের দাবানল
বেরোনোর চোঙ পুড়ে বিকল্প অনল।

এবার থামাও দ্রোহ!

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া
    মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া এবার থামাও দ্রোহ! .... ভালো লাগল কবি। ধন্যবাদ
    প্রত্যুত্তর . ২ জানুয়ারী
  • ইমরানুল হক বেলাল
    ইমরানুল হক বেলাল কঠিন স্বরে লেখনি,
    অসাধারণ শব্দ চয়ন,
    দারুণ ছন্দময়।
    সব মিলিয়ে বেশ সুন্দর হয়েছে কবিতাটি।
    ভোট এবং মুগ্ধতা রইল।
    প্রত্যুত্তর . ৪ জানুয়ারী
  • মো: নিজাম  গাজী
    মো: নিজাম গাজী বাহ দারুন লেখনি। ভালো লেগেছে। দারুন শব্দচয়ন। শুভকামনা।
    প্রত্যুত্তর . ৫ জানুয়ারী
  • আবদুল্লাহ আল মামুন
    আবদুল্লাহ আল মামুন শব্দ চয়ন কিছুটা কঠিন, কিন্তু সব দিক মিলিয়ে ভালো লেগেছে, ভোট, সালাম এবং শুভকামনা রহিল।
    প্রত্যুত্তর . ৭ জানুয়ারী
  •  মাইনুল ইসলাম  আলিফ
    মাইনুল ইসলাম আলিফ আমার কাছে একটু কঠিনই লেগেছে।মুল ভাব টা প্লিজ আমাকে একটু বলবেন প্লিজ,রিকোয়েস্ট রইল।তবে অনেক নতুন সব শব্দের ব্যবহার দেখলাম।পড়তে মন্দ লাগেনি।শুভ কামনা।
    প্রত্যুত্তর . ১২ জানুয়ারী
    • মোঃ মোখলেছুর রহমান মাইনুল ভাই,ভাল আছেন আশাকরি।ভাল থাকুন এই প্রত্যাশা। ভাই যা জানতে চেয়েছেন তা তো অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যপার তবু যতটুকু পারি বলছি। যাহোক আমি নিজেও এখনো অনোক কবিতা বুঝে উঠতে পারিনা।প্রথম যখন 'গুবাক তরুর সারি' 'বলাকা' 'সোনার তরী' 'বিদ্রোহী' ইত্যাদি ইত্যাদি পড়ি তেমন বুঝিনি। 'সোনার তরী'তো ইদানিং বুঝলাম। আর আমার কবিতায় সুযোগটা কাজে লাগালাম। জীবনান্দ তো প্রতিদিন নতুন রূপে আবিস্কৃত হয়। তবে (এটা আমার নিজস্ব ধারনা)লেখার দুটি ধারা চর্যাপদ থেকে চলে আসছে,যেটা বিকশিত হয় বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাসের মাধ্যমে। বিদ্যাপতিতে শব্দের কারুকাজ, চন্ডীদাসে ভাবের কারুকাজ;পরবর্তী ধারায় শব্দ ও ভাবের সমন্বয় হতে থাকে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের হাতে তা চরম বিকশিত হয়। আর হ্যাঁ কবিতা লেখা ও বুঝা যত সহজ,বুঝানো তত কঠিন। তবুও চেষ্টা করছি- মুল বিষয় অধরা, একে অনেকেই ধরতে চেয়েছেন, আমিও চেয়েছি।কয়েকজন বিখ্যাত কবি ও দার্শনিকের উদাহরনও টেনেছি।সবার কাছে অধরা অধরাই রয়ে গেছে,কারন অধরাকে কখনো ধরা যায়না। এ ক্ষেত্রে লালন শাহ (যদিও দেখিনি)তার বিখ্যাত ছবিতে মাথায় চুল বাঁধা েদখা যায়,অনেক পরিপাটি কিন্তু অধরার সাথে লালন শাহের তথা তাঁর অনুসারিদের যে অদ্বৈত ভালবাসা,দ্বৈত ভালবাসায় রূপান্তরের জন্য মরিয়া(যদি লালন আখড়ায় গিয়ে থাকেন)একতারার তালে তালে তাঁরা উদাস, দ্বৈত ভালবাসার জন্য দেহে সে পরিপাটিতা নেই। সোনার তরী কবির কর্মগুলো নিয়ে গেল কিন্তু কবি পড়ে রইলেন। কবির চাওয়ার যে আকুতি সেদিকে ইঙ্গিত ; বিদ্রোহী কবির ছেলের অসুস্থতা নিয়ে কবির কোন খেয়াল নেই সেদিকে ইঙ্গিত। দার্শনিক গাজ্জালির বিষয়টা ওনাকে পড়তে হবে, বিশেষ করে 'কিমিয়ায়ে সা'দাত' বইটি।(অনেক বলে ফেললাম,ত্রুটি মার্জনীয়।)
      প্রত্যুত্তর . ১৩ জানুয়ারী
  • সাইয়িদ  রফিকুল হক
    সাইয়িদ রফিকুল হক কবিতার অনেক লাইন বুঝতে পারিনি বন্ধু। যেমন, অস্পৃশ্য বিসর্গের বড়শি কামনা-নদে দু-দোল্যমান,
    পরোটার ডালে নেই নিয়মের চুমুক; অদ্বৈত ভালবাসার আখড়ায় লালনের ঝুটি খুলে যায়।...। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো।
    প্রত্যুত্তর . ১২ জানুয়ারী
    • মোঃ মোখলেছুর রহমান প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই আমার পাতায় মুল্যবান সময় দেয়ার জন্য। মুল কথায় আসি- বিসর্গ (ত্যাগ) দুঃখ অর্থে, যে দুঃখকে ছোঁয়া যায়না শুধু অনুভব করা যায়।সেই দুঃখ-বড়শী আমার ইচ্ছা নদে পেতে রেখেছি,অধরাকে ধরার জন্য।অর্থাৎ অধরাকে ধরার জন্য অজস্র দুঃখ বয়ে চলতে পারি। অধরাকে ধরতে না পেরে খাদ্য খাওয়া নিয়মতিন্ত্রকহীনতা, অধরাকে ধরতে না পেরে সময় মত খাওয়া দাওয়া হয়না, সর্বকাজে এলোমেলো। অদ্বৈত বিষয়টা মাইনুল ভাইয়ের ওখানে আছে প্লিজ পড়ে নিবেন। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।
      প্রত্যুত্তর . ১৩ জানুয়ারী
  • ম নি র  মো হা ম্ম দ
    ম নি র মো হা ম্ম দ অখিল আকিঞ্চনে মোহে দ্রোহে তছনছ আবাস।সুন্দর!শুভকামনা রহিল।
    প্রত্যুত্তর . ১২ জানুয়ারী
  • রতন কুমার প্রসাদ
    রতন কুমার প্রসাদ কঠিন ও উন্নত ধারার কবিতা। ভিন্ন স্বাদ পেলাম। বেশ ভাল লিখেছেন। অসংখ্য শুভেচ্ছা। লেখা থামাবেন না। কারণ আমার নিকট মনে হলো আপনার অনেক সম্ভাবনা আছে।
    প্রত্যুত্তর . ২১ জানুয়ারী
    • মোঃ মোখলেছুর রহমান প্রথমেই স্বাগত ও শুভেচ্ছা পাতায় আসার জন্য।কঠিনতা পরিহার করে ফেব্রুয়ারী সংখ্যায় লেখা পাঠানোর চেষ্টা করেছি,পড়ার জন্য আগাম আমন্ত্রন রইল। আপনার পরামর্শ মনে রইল,ভাল থাকবেন।
      প্রত্যুত্তর . ২৮ জানুয়ারী
  • মোঃ রাফিজুল হোসেন উজ্জ্বল
    মোঃ রাফিজুল হোসেন উজ্জ্বল আপনার বুনন বেশ কঠিন। পড়ে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা মনে পড়েছে। এক কথায় চমৎকার।
    প্রত্যুত্তর . ২৩ জানুয়ারী
    • মোঃ মোখলেছুর রহমান পাতায় আসার জন্য স্বাগত শুভেচ্ছা জানাই।বুনন সহজ করার চেষ্টা করছি ফেব্রুয়ারী সংখ্যায় পড়বেন আশা করি।ভাল থাকবেন।
      প্রত্যুত্তর . ২৮ জানুয়ারী
  • জামাল উদ্দিন আহমদ
    জামাল উদ্দিন আহমদ শব্দসংঘর্ষ চমৎকার। আরোও খেলা দেখতে চাই! অভিনন্দন।
    প্রত্যুত্তর . ৫ ফেব্রুয়ারী