তুমি লিখে গেলে যে কবিতা,আমি তার বিদগ্ধ পাঠক
পাঠ করে শুনাই দ্যুলোক ভূ-লোক।
তোমার কবিতা পড়ে কষ্ট হল জমা
কোন কালেও কী দিয়েছিলে পাঠকেরে ক্ষমা!
ছোট্ট শিশুটির মুখে চেয়ে আজ বুঝি-
কত মহিমান্বিত পিতৃত্বের অধিকার
চলেছে বয়ে নিয়মের সংসার।
ক্ষণে ক্ষণে বিপুল সে চিত্ত
এনে দেয় হৃদে মহাবিত্ত।
অজস্র শিশুর মুখে তোমারে খুঁজে পাই,
পরক্ষণে মনে হয় কোথাও কিছু নাই।
শিশুর হাসিটুকুন দিলাম তোমারে দান,
তোমার হাসির পঙতি তেমনি অম্লান।
তোমার সে কবিতার খাতা
শতাব্দীর পর শতাব্দীর পাতা-
ভরে আছে পিতৃত্বের অজস্র ঋণ।