অলীক বস্তুর অজ্ঞাত ভাবপ্রবণের প্রায়শ্চিত্তে;
প্রতীক্ষার বেলুন ফেটে তৈরি হয় একজন আসামি,
তার সাথে নৃত্য খেলনা করে কাল্পনিক প্রেতাত্মা।
হামাগুড়ি দিয়ে তার শরীরের সাথে মিশে চিত্রাঙ্কন করে অজানা সে প্রতারক।
সময়ে অসময়ে ষড়যন্ত্র করে স্ট্যাডিস্ট লোকটি;
খামচে ধরে তার শিরা- উপশিরা, আর মাতাল করে দেয় তার রূপ-লাবণ্য।
নিষ্ঠুরের মত তাকে আঘাত করে, আর অত্যাচার করে তার অঙ্গ- প্রতঙ্গ নিয়ে।
দুসর যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে বিচ্ছেদের চোরাবালির লোকটি।
কখনও হরেক রকম আকার ধারণ করে প্রতিহত হয় পরিজনের সাথে।
দিনের পর দিন তার অভিনয়ে বেহুশ একদল যাজক সম্প্রদায়।
তার পাগলামী দেখতে ছুটে আসে কল্পলোকের অধিবাসীরা,
আর ছদ্মবেশে ওকালতি করে আড়ালে।
পাশ্ববর্তী এলাকা খুব পরিশ্রান্তে ঘুমিয়ে পড়ে;
মনে হয় যেন এটা এডিনবার্ঘ কেসল কিংবা ভানগারের ভিত্তি।
তার জীবন যখন প্রতিপদে হয়েছে লীন,
তখন সাতরে উঠেছে ব্যগ্রতার ঋণ,
আর পরতে পরতে সৃষ্টি হয়েছে বিষন্ন কলঙ্কের গল্প অমলিন।
অবশেষে পড়ে থাকে তার বিতৃষ্ণার বাঁধানো কঙ্কাল,
আর বিদায় নেয় তার চিরদিনের নাট্যমঞ্চ।