ছায়াতল একটি গাছের অধীনে নীরব হয়ে যখন বসে থাকি, তখন অকথিত বাড়ন্ত নিসাড়া ভাবনা গুলো ডিগবাজী খায়;

খামচে যায় উপচে পড়া জলসিক্ত মেঘের পঙ্কিলে নভোমন্ডল, অক্ষিগোলক, জ্যোতিষ্ক আর বর্তুলাকার মেঘ চূর্ণের সাথে।

দক্ষিণ থেকে উত্তরে কিংবা পশ্চিম থেকে পূর্বে তাকালে; ঝাপসা পড়ে যায় বিশাল নিষ্প্রতিভ দৈত্যাকার কিছু পাহাড়, তরুলতা আর জলরাশি ভরা সমূদ্রের কলতান।

পর্বতের ঠেকনায় টুপটুপ স্রোতে ভেসে যায় ফোয়ারা, কূল ঘেঁষে পাড়ি দেই সাগর- মহাসাগরের নিবাস;

কোথাও নব্য খালের আবাস, কোথাও মানব গাছের পাখ-পাখালী, আবার কোথাও যেন লুকিয়ে আছে অজানা প্রাণীর আবিচ্ছাদ।

গর্দানটাকে উদ্ধদিকে রাখলে বিশাল খোলা আকাশে চাঁদ, তারা ও সূর্র্যের সাথে মিষ্টি সম্পর্কে যুক্ত রয়েছে পৃথিবীর বাহিরেরও কিছু গ্যালাক্সি।

বেমালুম জলচাপে গাছের সাধর্ম্যে হাত বাড়িয়ে মিলে আছে লতার আবির ভরা জাল,

আর পাখিদের সাথে গলাধঃকরণ জমকালো সে অবিনাশী সৌরভ মাখা পাতার স্নিগ্ধ ভরা গান।

গভীর সান্দ্র জগতের কোথাও যেন মোহিনী মায়া নিয়ে পড়ে আছে নিগূঢ় রহস্যময় গহিন চামচিকার মত জিবন,

কোথাও যেন বিশাল জনশূন্য অঁচল বিজন প্রদেশ; আর খর্ব হয়ে আছে উচ্ছাসের প্রজ্বলিত অকিঁচিৎ নিষ্ফল অধম প্রাণের বাস।

কিঁচিত্মাত্র, ঢাউস আর গড়পড়তা হয়ে যেন জাঁকালো অগাধ শক্তি নিয়ে ঘোলাটে হচ্ছে এ মহাবিশ্বের বিস্তৃত জিবনাঙ্গন;

আর স্তরের আনতির মত করে ভাঁজ পড়ে আছে কুঁচি বাঁক বাঁক পরিপাটি,

আমরা যেন গড়াগড়ি খাচ্ছি কোনো ভূ-খন্ডের ঝুলে পড়া মাংসের পটি তাপ্পিতে।