আপন বলতে নেই যাদের কেও , মুক্ত স্বাধীন যারা
সুখে আছে আজ কতখানী টোকাই বাস্তুহারা ?
নবমাতার কোলে শুয়ে কত শিশু যে কাটায় রাত _
শীত তাড়ায় আগুন জ্বেলে , প্রতীক্ষায় থাকে রাঙ্গা প্রভাত।
তেজ বাড়লে সূর্য মামার , যাদের মুখ ওঠে হেসে-
রইবে কি তারা সারাজীবন, ফুটপাতের ঐ কোলটি ঘেঁষে।
পোড় খাওয়া মানুষগুলো সত্যি বড়ই অসহায় _
শাসকদল খই ফোটা মুখে , নেই কি তবে কোন দায়।
কন্ঠ যেন আসছে ছিঁড়ে , বোবা কান্নায় ভাসে বুক _
দানবরুপী শীতল বাতাস , কেড়েছে আজ সকল সুখ।
নগরপিতা দেখে না কভু , পথশিশুদের চোখের জল _
করুন মুখে সুখের জোয়ার , হাতে পেলে কম্বল।
রিক্ত হৃদয় দুঃখ ভুলে, ফুলের ডালি তুলে কোলে
পথে পথে বিক্রি করে, বাদুড় ঝোলা গাছে ঝোলে।
থমথমে শীতের সকাল কিংবা বৃষ্টি বাদলা রৌদ্রতাপে_
শিশু গুলোর দুরন্তপনায় ব্যস্তময় রাজপথ কাঁপে।
শুনতে হবে আর কতদিন , পথশিশুদের আর্তনাদ _
কেমনে হবে দুঃখ মোচন , কেমনে করবো প্রতিবাদ।
দেশের সকল শিল্পপতি, হৃদয়বান, বিত্তবান
ইস্পাতসম হৃদয় ভেঙ্গে , করেন যদি কিছু দান।
ভাগ্যহত মানুষগুলোর একটু কষ্ট কমবে _
লক্ষ প্রানের হাসির মাঝে , হাসির মেলা জমবে।
বাঙ্গালী মোরা বীরের জাতি, করবো দূর অন্ধকার
সাহসী বুকের চঞ্চলতায় , জয় হবে মানবতার।

পাদটীকা: কবিতাটির প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষর গুলি মিলিয়ে হবে " আসুন শীতের পোশাক দান করি , পথশিশুকে দেই ভালবাসা। "