বেশ দূরে কোথাও থেকে ভেসে আসছে মিহি সুর। সম্ভবত রবীন্দ্র সংগীতই হবে। তন্দ্রাচ্ছন্ন আমি। কপালের রেখায় ভাসছে অতীত ধীরেধীরে পিছনে ফিরে যাচ্ছি, এক যুগ, দুই যুগ করে সহস্র শতাব্দী।
কার যেন আবছা চোখ, ঘন কুয়াশা ঢেকে রেখেছে। চোখ বাঁকিয়ে অনবরত দৃষ্টি স্থির করার চেষ্টা করছি, হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দে ধ্যান ভেঙে যায় দেখি সামনে পড়ে আছে ক্ষত-বিক্ষত লাল গোলাপ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সেলিনা ইসলাম N/A
বর্তমান বাস্তবতা উঠে এসেছে কবিতায়। যে বাস্তবতায় শিকারির কাছে একজন শিশুও নিরাপদ নয়। অথচ অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া। চমৎকার কবিতা শুভকামনা রইল।
কবি কবিতা কি অর্থে লিখেছে সে-ই ভালো জানে। একজন পাঠক হিসাবে আমি যা বুঝেছি তা কঠিন বাস্তবতা। যেখানে মানুষ ধীরে ধীরে অতীতে ফিরে যাবার বাসনা করছে। যেখানে সুখী সুন্দর ভালোবাসায় একটা জীবন ছিল। কিন্তু এটা কেবলই তার ভ্রম...বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা ভয়ঙ্কর। বোমা,যুদ্ধ এসবই চারদিক ঘিরে আছে। ক্ষতবিক্ষত লাল গোলাপকে আমি একটা শিশু'র উপমা হিসাবে ধরেছি। যে হয়ত ভয়ংকর বিস্ফোরণে আহত হয়েও বেঁচে আছে। এটা একান্তই আমার ভাবনা। পাঠকের ভাবনায় আমি ভুলও হতে পারি। তবে লেখক জানেন তিনি কোন দৃষ্টিকোণ থেকে লেখাটা লিখেছে।
বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য (সংস্কৃতি) আজ ধ্বংসের মুখে। দানবেরা ধর্মের প্রাচীর দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার দেয়াল তুলে দিয়েছে। পবিত্র বাংলাদেশ শব্দটিকে পাকিস্তানের (জাহান্নামের) প্রতিশব্দ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে উঠে পড়ে লেগেছে।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।