মৃত্যু কে খুব কাছ থেকে দেখতে ইচ্ছে করে যদি নশ্বর হতো আমার এ জীবন বার বার আলিংগনে ধন্য হতো ; দেখিতো হতোদ্যম দিগন্তে সে বণিক কেমন করে নারকীয় নিষ্টুরতায় ক্ষত বিক্ষত করেন আমার চোখ, মুখ, বক্ষ আর মনন।
কোমল হৃদয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতাম সৈরাচার, সেনাপতি অত্যাচারী জালিম কেমন করে হয় ধ্বংস এক নিমেষে.... উত্তর দিতো ধাম্বিক,মূখবয়াব রুক্ষমূর্তি শুনে হাঁসতাম তাবাসসামুর সুরে, নয়তো ক্বাহক্বাহা অবচেতন কাননে।
শক্ত হাতে ছুঁয়ে দেখতাম গঠন, আকৃতি, উৎস জন্মান্তর সে কেমন সফেদ নাকি খামখেয়ালি ঋতু বদলের মতো রং বদলে কেমন ফাগুনের পাগলা হাওয়া - বৈশাখী ঝড় দুর্গতি।
দেখিতাম নিখুঁত নয়নে কি পড়নে সে বেনারশী, জামদানী, মসলিন কাতানে শার্ট, পেন্ট, আলখেল্লা - লুঙি গতরে। লাজুক না কর্কশ, জবানী শ্লোক তার গল্প করেই কি আদায় হবে তার কাজ, যত আবদার ।
ইজতেহাদে হাত পাকাতাম বিশুদ্ধ পরিপূর্ণতায় লক্ষ জনতার মাঝে পক্ষপাতহীন ছোবল ; এক নিমেষে লুটে পড়ে অগণিত বনি আদম ধরায়....
অসীম লুকায়িত উত্তরপত্র ফাঁস হবে একদিন, খুঁজে পাবো তার ঠিকানা স্বল্প, অন্ধত্ব ঘোচাবে সকল অদেখার....... আফসোসঃ বলতে পারবনা কাউকে, সে যাত্রার গল্পের অল্প।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।