সেই মেয়েটা রৌদ্র মতন অবাধ সুখে আলোক কথন
মেঘ ছাড়িয়ে যখন তখন মুচকি হাসি হাসত;
অবাধ্য ঢেউ মোচড় কতক বুকের ভিতর অর্ধশতক
তৃষ্ণামতনাব্য অবোধ কাব্য জমাট বাঁধত;
আমার ভালো লাগতো।
সেই মেয়েটা ছিন্ন বাঁধন আলতো রাগে হাঁটত যখন
পদ্ম পাতার ব্যস্ত কাঁপন একটা নূপুর বাজতো;
অবুঝ মনে বৃষ্টি নেমে মুষল ধারের শব্দ নীরে
দূরের দোয়েল পথ হারিয়ে ডালিম ডালে বসত;
আমার ভালো লাগতো।
সেই মেয়েটা বলতো কথা সরলতার সাদায় গাঁথা
বক পাখিটার অলস পাখা ঠোঁটই শারায় ছুটতো;
আমার দু’কান চাতক পাখি জলদেবলে ডাকা ডাকি
ভুলত সেসব ঝরা পাতায় আনমনা সুর শুনত;
আমার ভালো লাগতো।

সেই মেয়েটার কল্প ছবি স্বপ্নালোকের চারণ ভূমি
বধ্যভূমি আমার হৃদয়তাকেই শুধু চাইতো;
শালুক যেমন শাপলা ফুলে বর্ষাজলে ফুটবে বলে
আষাঢ় মাসের প্রার্থনাতে কাটায় দিবা-রাত্র।