তুমি কৃষ্ণকুমারী,
হয়তো ভালোবেসে,
একান্তে নিজের করে কাছে এসে,
রুক্ষ কুন্তলের ঘ্রাণ নিয়ে,
তোমার অঙ্গ স্পর্সে আনন্দ করিনি আমি।
নিঃস্বঙ্গতায় পরিপূর্ণ তুমি কৃষ্ণকুমারী।

একটা বুড়ির গল্পে শুনেছো
পরীদের ঠিকানা অন্ধকার অন্তরীক্ষে,
অতঃপর অচেনা অজানা সুখের
কেন্দ্রে দাড়িয়ে তুমি কৃষ্ণকুমারী।

লুকিয়ে পরিচয় অধরাই ছিলে,
দর্শনে মুগ্ধ হইনি বহুবার,
তারুণ্যের উচ্ছলতায় তুমি,
এক অপুর্ব সৌন্দর্য খেলাঘর।

বহুকাল খুঁজে ফিরে লুকোনো সৌন্দর্য
যেন মনুষ্য অবয়বে চক্ষুষ্মান তুমি কৃষ্ণকুমারী।

সহস্র বছর অবহেলিত রয়েছো তুমি,
অনন্তকাল উপেক্ষিত থাকবে না নিশ্চিত,
তুমি কৃষ্ণকুমারী।