সেদিন দুপুরবেলা সূর্যের ভিতর হতে বাহির হল রৌদ্রের তীব্রতা, মাটির বুকে তখন ফাঁটা—ফাঁটা দাগ আর তৃষ্ণার্ত কাকের মুখে কা—কা ডাক ৷৷ টিক তখনি নদীর পাড়ে বসে অসহায় বৃৃদ্ধা দেখছে চেয়ে পাড় ভাঙ্গার তীব্রতা, ভাবছে সে আপন মনে নদী হবে বড় গ্রাম হবে ছোট কিছুদিন পরে ৷৷ নদীর পাশে রাস্তার শেষ প্রান্থে দাঁড়িয়ে থাকা ডাল—পালাসহ বিশাল বটগাছটা , রোদ্রের তাপ সহন করে মিটায় প্রতিনিয়ত ক্লান্ত পথিকের বিশ্রামের তীব্রতা ৷৷ চারদিকে হাহাকার শুষ্ক পরিবেশ আর আদ্রতা , তা দেখে বৃষ্টি পাওয়ার আঙ্খাটার বেড়ে যায় তীব্রতা ৷৷ আকাশপানে চোখ দেওয়া বড় দায়,দু চোখ যেন জলে ভরে যায় , সবকিছু হয়ে যায় ঝাপসা,তবু মনে শুধু তীব্রতা ৷৷ গ্রামের উঠোনে গৃহস্থরা ধান শুকায় রোদ্র মাথায়,গা যেন পুড়ে যায়, তবু মনে আশা রয়ে যায়,শুকনো ধান পাওয়ার তীব্রতায় ৷৷ সেই সকালে ছাতা মাথায় লাঠি হাতে কৃষক যায় ধান ক্ষেতে , এই দুপুরে তাহার খাবার মাথায় করে খাবার পানি হাতে নিয়ে কে যেন যায় ক্ষেতের আইল ধরে৷৷
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
অবাক হাওয়া prosenjit
sokol k osonko donnobad..apnader mulloban montobo amar jonn onk boro onuparona..
নাজমুছ - ছায়াদাত ( সবুজ )
আসলে মানুষের সব কিছুর পিছনে যে একটি চাওয়া আর পাওয়ার চরম ব্যাপার থাকে কবির কথায় টা ফুটে উঠেছে । বেশ সুন্দর লেখা । কবিকে অভিনন্দন ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।