অস্তাচলের সূর্যটা পানকৌড়ির শেষডুব দেখে
হস্তরেখার মত পথেও নামায় ঘোলাটে আঁধার,
দীর্ঘশ্বাস নিজেও যখন ফেলে আরেকটি দীর্ঘশ্বাস,
ফিসফাস জলের কলতানও হয়ে উঠে বেশ নির্ভার!

ছুটন্ত ব্যকুলতা যেন মেপে মেপে ফেলে পদক্ষেপ
পেছন থেকে আগামীর কুয়াশা ধরে ফেলে পদযুগল,
একটা মায়াডালে অবসন্ন পাখি চোখ বুজে যেন
বলে, যতদূর যাও, এটাই তোমার সাধ্যাতীত ভূগোল!

আমি হাসি, চোখে জল রেখে শেষ ঠাই বলে ডেকে,
নৌকা ঘাটে, দাঁড়-বৈঠা রেখো গো উঠোনের আমডালে,
নিও কিঞ্চিত জলপান, মরিচ-পান্তা, গামছা বেঁধো কোমড়ে,
বরফশীতল মাটিতে হেটে যেও সমান সেই তালে!