ওদের কাছে সবকিছু সহজ জীবন যৌবন জীবিকা। ওরা চোখের সামনে প্রতিমূহুর্তে অজগর হয়ে ওঠে আমি হতে পারি না। ওরা সবকিছু পাওয়ার পেছনে ছোটে আমি ছুটতে চাই না। ওরা হাঁটু গেড়ে বসে বখড়া তোলে আমার লেখায় মেধাবীর ভাগ্য খোলে, দেশ বদলায়, দিন বদলায়।
ওরা আমাদের সরলতাকে ভয় দেখিয়ে টাকা কামায়, ওরা ”সাংঘাতিক” হিসেবে খ্যাত টাকার কাছেই কেবল নত। ওরা চোখের সামনেই অজগর হয়ে ওঠে আমি নিজেকে সে কাজে জরাই না। ওদের লকলকে জিহ্বা ওদের ভাগ্য বদলায় আমি ওসব পারি না। ………………………………… আমার মাসিক সম্মানী এক হাজার, দুই টাকা লাইনেজ, ছবি প্রতি পাই একশ, ঈদ বোনাস এক হাজার করে দেয় অফিসের কর্তারা তবু নিয়নের আলোয় অজগরের ফোঁস ফোঁস ওঠে আমাকে করে বিপন্ন। পত্রিকা অফিসে অজগরের বিষাক্ত আস্ফালন আমার হৃদয়কে করে ক্ষত বিক্ষত। আমার লবণ-মরিচ মাখানো শুকনো ভাত বেদনায় ছটফট করে ইতিহাসের পাতায় জমা পড়ে বদনাম।
সন্দেহাতীত সময়ের নাভি:শ্বাস… প্রতিমূহুর্তে অজগরের ফোঁস ফোঁস সহ্য করে আমি বেঁচে থাকি আমি বেঁচে আছি।
আমি বার বার ওদের কাছে হেরেও জিতে যাই।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
গোবিন্দ বীন
সন্দেহাতীত সময়ের নাভি:শ্বাস…
প্রতিমূহুর্তে অজগরের ফোঁস ফোঁস সহ্য করে
আমি বেঁচে থাকি
আমি বেঁচে আছি।
ভাল লাগল,আমার কবিতা ও গল্প পড়ার আমন্ত্রন রইল।ভোট রেখে গেলাম।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।