বড় প্রতীক্ষায় ছিলাম--
তুমি এলে, উওলা আমি শান্ত হলাম ।
দেখি তুমি হাতপা নাড়ছো,
সেকি নরম, তুলতুলে -- ছুঁয়ে দিতেই যেন গলে পড়বে।
আলতো হাতে ছুঁয়ে দেই তোমায়, যদি আবার ব্যথায় কুকড়ে ওঠো
সেকি দুর্ভাবনা !
কতদিন দু’চোখের পাতা এক করিনি,
দিনরাত চোখে চোখে রেখেছি, পাছে কেউ আবার তোমায় নিয়ে পালিয়ে যায়,
অথবা…
না! নাই বলি সে কথা ।
একটু একটু করে বড় হলে তুমি, মনকে বাঁধলাম ।
হাজার ভয়ের মাঝেও ছাড়তে হলো তোমায়,
যেন তুমি তোমার হতে পারো,দশের হতে পারো, আত্মনির্ভরশীল হতে পারো,
আমারতো আছোই ।

অবশেষে লোকে জানলো, দেশ জানলো, পৃথিবী জানলো তোমাকে ,
শুধু বলা গেল না আর তুমি আমারও,
সে কি তীব্র বেদনা !
তুমি আজীবন তোমারই রইলে ।
কি করে বেহেশতের শর্তে এমন ভয়ঙ্কর দানবে পরিণত হলে তুমি ?
নির্বিচারে ধরে ধরে একের পর এক মানুষ কাঁটলে ?
একটিবারও গর্ভধারিণী আর দেশের কথা ভাবলে না!
এ কেমন ধর্ম তোমার যা মানবিকতাকেও ভুলিয়ে দেয় ?
মাতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে হারিয়ে যায় ?