তোমার সোনালী বলয়ে

আঁতিপাতি করে বর্ষাই খুঁজে পেলাম না,

তবে আর কেন?

বৃষ্টি হলেই বর্ষা কী তার নাম?

জানো কী এখন কাব্যে মননে

করোনা তুলকালাম!

তাই তো বর্ষা তোমাকে দিয়েছি ছুটি।

সোনলু,জারুল কৃষ্ণচূড়ার ভাংলে ভাঙুক জুটি।।

সুন্দরীরা কাব্য ছাড়াই টই- টুম্বুর থাকে

ক্ষতি কী এমনযদি, যুগের কবিরা তোমাকে আজ

করোনা বর্ষা ডাকে!?

এখনও সবটুকু থৈ থৈ আছে গো

তুমি চুপি চুপি, শুধু একখানা

জারুলফুলি-

জর্জেট পরে নিও

দলছুটো মেঘ ঝুলিও সীঁথির গোড়ে,

এঁকো, চোখের বলয়ে চিকন নদীর রেখা,

সোনালুর ফুলে জড়ালেই হোলো দারুন বর্ষাখোঁপা।

যদি ঝুম বর্ষনে দলবাঁধা জলকনায়

মসলিন আঁচল ওড়ে- তবে তো- করোনা তোমায় দেখে লজ্জায় যাবে মরে।।

ওগো বরষা,

অন্তর থেকে প্রণয়াঞ্জলি রেখো

ফুরালে করোনা কাল

সে অপেক্ষায় থৈ থৈ হয়ে থেকো।