পিতা
যাবজ্জীবন খাটলো সাজা তোমার সুখের তরে,
বেলা শেষে জীবন রেশে হয়নি জায়গা ঘরে।
বাড়ী-গাড়ি অট্টালিকা করলো তোমায় দামড়া,
নিজের বলে রইল না আর থাকার একটা কামরা।
বাবুই পাখির মতোই তারা ঘর বেঁধেছে যারা,
গোবেচারা জীবন এখন আপন ভূমেই ইজারা।
এক ইশারা সব কিনারা হারে যে গো-হারা,
মলিন যে হয় চেহারা তার থাকলো সে বেচারা।
বুঝবে তখন পিতা হবে, পিতার যে কি মর্ম,
দুঃখ দিয়ে কি হারালে আসবে না কাজ ধর্ম।
পিতা-মাতা
মায়ের পায়ে জান্নাত সন্তান পিতা যে তার চাবি,
পিতা-মাতার প্রার্থনা তে স্বর্গ পেয়ে যাবি।
এক ফোঁটা জল ঝরলে মায়ের খোদার আরশ কাঁপে,
কষ্ট দিলে মায়ের মনে থাকবে জীবন পাপে।
সারা জীবন উজাড় করে গড়ল তোমার জীবন,
সেই পিতা হয় ঘর ছাড়া আজ; তুমিই অবলম্বন ।
সব ছেলেরা হয়না পাষাণ হয় যে কিছু ব্যতিক্রম,
আদব-কায়দা ধর্ম শিক্ষা ঠিকানা নয় বৃদ্ধাশ্রম।
গরীবের বাপ ঘরেই থাকে উচ্চ শিক্ষার ধনী,
আপন পিতার আত্মগ্লানি করবে যে মানহানি।
খলনায়ক এই পিতা-মাতা বৃদ্ধ মরণ যাত্রী,
যখন তুমি পিতা হবে বুঝবে তখন রাত্রি।
শুক্রবার, দাম্মাম, সৌদিআরব ২৪ ফাল্গুন ১৪৩০, ০৮ মার্চ ২০২৪
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
যাবজ্জীবন খাটলো সাজা তোমার সুখের তরে,
বেলা শেষে জীবন রেশে হয়নি জায়গা ঘরে।
২১ নভেম্বর - ২০১৫
গল্প/কবিতা:
৪৩ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।