কোন এক যাপিত সময়ে, হঠাৎ অমানিশা-
সব ঢেকে গিয়েছিলো অদ্ভূত আঁধারে,
বিষে হাতেখড়ি, নীল শিরায় নিষিদ্ধ সুরার সঙ্গম
মুহূর্তের কৌতুহলে হলাহলের ছোবল, তন্দ্রালু প্রহর-

দ্বিধাজড়িত পকেটকাটা, দাপটে চুরি ছিনতাইও বাকি নেই,
লোকলজ্জা সংকোচ ভুলে ভীরু ছেলেটি এখন দস্যু বাহাদুর
নেশায় অধীর শরীর গ্রন্থিগুলো খুব উপবাসী, মাদক আগ্রাসী,
কত অতৃপ্ত দুঃস্বপ্ন দূর হবে একটি সিরিঞ্জের সামান্য খোঁচায়,
তিলে তিলে তাড়না ঘনীভূত হয় দেহের প্রতিটি প্রান্তসীমায়-

তছনছ ড্রয়ারগুলো খুলে খুলে খুঁজে খুঁজে লন্ডভন্ড,
হাত কাঁপে প্রত্যাশায় ,যদি কিছু অভাবনীয় অর্থ মেলে!
নেই নেই নেই -অপার শূন্যতা দেহকোষে কোষে,
সন্তাপ অস্থির খিঁচুনীর অভ্রান্ত অধীর আহবান,
এঁকেবেঁকে ওঠা অবাধ্য শরীরে অসহ্য অনুরণন।

দেহমন দাবী জানিয়ে যায় একঘেঁয়ে -চাই চাই ,
কোথাও থেকে যদি পাই, ঈপ্সিত কিছু রহস্যময় রাসায়নিক-
আর সব মুছে গেছে, পাপ পূণ্য লৌকিক আলৌকিক
মুছে গেছে উজ্জ্বল অতীত, নিস্প্রভ আঁধার ছেঁয়ে সম্যক ,
একদা সে বড় ভালো ছাত্র ছিলো, লক্ষী, বাধ্য আদর্শগত,
ইঞ্জেকশনের সূচ ছাড়া আজ আর সব পরিচয় মৃত।