লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮
গল্প/কবিতা: ১টি

সমন্বিত স্কোর

২.১৩

বিচারক স্কোরঃ ০.৯৩ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.২ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগভীরতা (সেপ্টেম্বর ২০১৫)

অদ্ভুত ভালোবাসা
গভীরতা

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.১৩

আরাফাতুল আলম

comment ১  favorite ১  import_contacts ৯৯২
সাব্বির এর ঘুম খুব সকালে ভেঙ্গে গেলো। হাতের পাশে ঘড়ি রাখা কিন্তু তার সময় দেকতে ইচ্ছা করছে না। আজ সে শ্যালী কে সপ্ন দেখেছে। অনেক দিন পর শ্যালী কে সপ্ন দেখায় সাব্বির এর মন টা খুব ভালো। সাব্বির বিছানা থেকে উটতে উটতে ঘড়ি দেকলো পনে পাঁচ টা বাজে। আজ তার ছুটি তাই অত তারা নেই। সাব্বির এর ভাবতেই অনেক অবাক লাগে মাত্র তিন বছর আগেও শ্যালীর জন্য সে পাগল ছিলো। কত পাগলামি না সে করেছে। শ্যালীর আর সাব্বির পাশাপাশি ফ্ল্যাট এ থাকতো। শ্যালীকে প্রথম দেখেছিলো সিরি ঘরে তখন সাব্বির ভাবতেও পারে নি শ্যালী ৩ বছরের এক ছেলের মা। প্রথম দেখাতেই সাব্বির শ্যালীর দিকে অনেক খন তাকিয়ে ছিলো, কি বিরক্ত ই না শ্যালীর মুখে। তিন বছর কেটে গেছে তারপর ও মনে হয় এইতো সেদিনের কথা। কত কিছু ই না পরিবর্তন হয়েছে এই তিন বছরে। মানুষের মন খুব জটিল হঠাৎ সাব্বির এর মাথায় কি হোল সে জানে না, তার মনে হোল শ্যালীকে তার পেতে ই হবে। কি অর্থে শ্যালীকে সে পেতে চায় সে জানে না কিন্তু যে অর্থে ই হোক তাকে তার পেতেই হবে। মেয়ে রা বোধহয় ছেলেদের পাগলামির কাছে পরাজিত হয়, শ্যালী যেমন হয়েছিলো। সাব্বির হঠাৎ দেকলো রাতুল উঠে তার পাশে এসে দারিয়েছে। ছেলেটা খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে যায়। সাব্বির ছেলের দিকে তাকিয়ে বলল গুড মর্নিং। ছেলেও বাবার দিকে তাকিয়ে বলল গুড মর্নিং। সাব্বির ছেলের দিকে তাকিয়ে খুব মায়া লাগছিলো ছেলে টা সারাদিন বাসায় একা থাকে। ছুটির দিনগুলো সাব্বির চেষ্টা করে রাতুল কে সময় দিতে। অবশ্য সাব্বির বুয়া রেখেছিলো রাতুল এর জন্য কিন্তু পরে পাশের বাসার ভাবির থেকে জানতে পারে সে অফিস এ চলে গেলে বাসায় বিভিন্ন লোকজন আসা জাওয়া করে। তারপর তো কোন প্রশ্নই উঠে না বুয়া কে রাখার। আশ্চর্যের বিষয় হোল এতো কিছু দেখার পরও রাতুল সাব্বির কে কিছুই বলে নি। রাতুল খুব একটা কথা বলে না শুধু কিছু জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেয়। ছেলেটা একদম তার মার মত হয়েছে। সাব্বিরের আবার শ্যালীর কথা মনে পরে গেলো। সেদিন ছিলো শ্রাবণ মাসের ১৮ তারিখ। ঘন বর্ষায় কালো হয়ে ছিল দিনটা, সাব্বির শ্যালীদের বাসায় ছিলো সময় টা ছিল দুপুর। হঠাৎ কলিংবেল বেজে উটলো সাব্বিরের সিরদ্বারা দিয়ে একটা স্রত বয়ে গেলো। শ্যালী দরজা খুলেই দেকলো রাহাত দারিয়ে আছে। এক মুহূর্তও সময় লাগলো না রাহাতের ব্যাপার টা বুঝতে। রাহাত শ্যালীর দিকে শীতল চোখে একবার তাকিয়ে সাব্বির এর দিকে তাকালো তারপর চলে গেলো ভিতরের রুম এ। সাব্বির মাথা নিচু করে বাসায় চলে আসলো। আসার পর থেকেই সাব্বির এর মনে হচ্ছে ভয়ংকর কিছু হতে যাচ্ছে। ভাবতে ভাবতে সাব্বির ঘুমিয়ে পরলো। প্রচণ্ড হইচই এ সাব্বির এর ঘুম ভাংলো, কোন দিকে না তাকিয়ে সে শ্যালীদের বাসার দিকে ছুটে গেলো। সাব্বির ভাবতেও পারিনি কি ভয়ংকর দৃশ্য তার জন্য অপেক্ষা করছে। সাব্বির ভীর ঠেলে ভীতরে ঢুকল। রাতুল মেঝেতে বসে তাকিয়ে আছে তার নিথর বাবা মারে দিকে।

আজও ঘন কালো করে বৃষ্টি আসছে, সেদিনের কথা সাব্বির মনে করতে চায় না। আজ শ্যালীকে সে স্বপ্নে দেখেছে, তার মন টা আজ খুব ভালো।


advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • Israt
    Israt একটা twist আছে এবং পাঠকের জন্য ভাবার সুযোগ আছে, যেটা এই সংখ্যায় এ পর্যন্ত পাইনি।
    প্রত্যুত্তর . ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

advertisement