সমুদ্দুর মন্থনে তুমি আমি ছিলেম সহচর
ভুমি দখলে হয়ে গেছি বৈরি পরস্পর
সমুদ্দুরের শীতল হাওয়া উধাও কখন
জমিতে চলছে চৈত্রের তীব্র দহন।
চারটি যুগ আগে স্তব্ধ মন্থন ধ্বনি
সেই থেকে মুখোমুখি আমরা হয়ে থাকি শতবর্ণী
কখনো প্রভু তুমি আমি হই প্রজা
স্বজনেরে রুধিতে বর্শায় কি সে যে মজা ।
পাতানো খেলায় বেলা গেল
আধার নেমেছে দিকচক্রবালে
কত ঝড় কত বন্যা কত অনাহার
পারেনিকো করতে কাবু
কাঠামোর কাঠিন্যে ভুতলের শক্ত শেকড়ে
ভুকম্পনের দোলায় দোলনি তুমি
প্রাসাদের অভ্যন্তরে
শুনেছি শত প্রহরী নিয়ে তোমায় কোলে
করেছিল নিরাপদ ।
আবারো আসছে ধেয়ে করতে তছনছ
এসো মিটিয়ে বৈরিতা
হয়ে যাই সহচর
ফিরে যাই সেই মন্থন কালে ।।