চারিদিকে শনশন মাছি ওড়ে ভনভন
বাচি কানে আঙ্গুল চেপে নিয়ন্ত্রনহীন টেনশন
কল চেপে পানি খাই পেট বলে ভরে নাই
হাভাতে এই পেটটা নিয়ে কোনদিকে যাই !
টেনশন ভবনেতে
মিছিলের রাস্তাতে
মন্ত্রিপাড়ায়ও কম নয়
মন্ত্রিত্ব কখন যায়
ফ্লাগ কারে অস্থির হয়ে
টাইটাকে ঢিল দেয় ।
ফুটপাতের বিক্রেতা
ঝুড়ি ভর্তি হতাশা
খোকন সাহেব আসবে কখন
মরি মরি উচ্ছেদের টেনশন
বাস ড্রাইভার তাকিয়ে পিছনে
কণ্ডাকটরের কালেকশনে
প্রতিদিন ঘুঘু তুমি খাও শুধু ধান

আজ তোমায় খিলাব জর্দা দেয়া পান
কেরানীর টেনশন পাবে কবে পেনশন
ঘুরতে ঘুরতে বেচারা হয়ে যায় পেরেশান
প্রেশার উঠে মাথা ঘুরে কনের পিতা রাস্তায়
গাড়ি বাড়ি ব্যাবসা এত টাকা পাবে কোথায়?
ইন্টারভিউর লাইনে উশখুস অস্থির
ফোকে বিড়ি মনে মনে পড়েছিল যা বিড়বিড়
যুবক অস্থির হাতে গোলাপ তাকায় এদিক ওদিক
আসবে কখন ফেসবুকি হাসবে ফিক ফিক
খোঁড়া বসে গাড়িতে করে গালাগাল
হরতাল দেবার টাইম পেলিনা ওরে দল বল
বসা আছে পায়খানায় কষা দাদু অস্থির
নামতা পড়ে চেপে দাত করে কিড়মিড়
সবচে ভাল সাধুবাবা গাজায় দিয়ে টান
বলে ওঠে ধরিত্রীতে নেই কোন টেনশন ।।