বসন্তদূত ডেকে যায় মধু সুখ বাসনায়,
সীমান্ত চুমে যায় ছুঁয়ে যাওয়া ভাবনায়;
একাকী প্রহর প্রেমিক-প্রবর দারুচিনি দ্বীপদেশ
এলাচের বনে আঘ্রাণ সুধা শত, মধুর আবেশ।

সীমারেখা! কোথায় ফুটেছে অঞ্জন, পারিজাত;
সভ্যতা অসহায়! চলো মোরা হই অভিজাত!
এসো হাত ধরো, কিছুক্ষণ আরো পাশাপাশি;
মন্দাকিনী মন্থনে ভেসে জীবনটা দেখে আসি।

ওপারে আগর বনে লেগেছে সুখের ধুম,
বন মল্লিকার পরাগ ছুঁয়ে স্বর্ণলতা নির্ঘুম
দৃষ্টিসীমানা পেরিয়ে নীলাদ্রি যাবো ছাড়িয়ে,
উপল ছুঁয়ে নেবো প্রজাপতি পাখা বাড়িয়ে।

দিগন্তবৃত্তে রূপসী ঝর্ণা, অদেখা নদীর টান
স্বর্ণ চামেলি শাখায় ঝরে হলুদিয়া পাখিরগান,
তারপর আরো দূরে, হবো নির্জন দ্বীপবাসী!
দিগন্তরেখার মত রবো অসীমেরে ভালবাসি।

শুভ্র শীতল মেঘ স্পর্শে হবো অভ্র বৃষ্টিজল,
বিমল প্রেমে তৃপ্ত হৃদয়ে, ফোটাবো নীলকমল;

বসন্ত যায় সখা, তবে আর দেরী নয়!
দিগন্তে হাতছানি দেখো, মনে রেখো না ভয়।।