রাত দু’টো, বন্ধুর বিয়ে থেকে ফিরছি একা একা-
অভিমানী চাঁদটাও আজ লুকালো মেঘের আঁড়ালে!
কপাল পুড়া ভাগ্য আমার বিদ্যুৎটাও গেল ঘুমাতে নিশিতে!
চারদিক সুনসান নিরবতা পিচ ঢালা পথ
আমার পা’য়ের জুতর শব্দ - ক্রংকিটের সু-উচ্চ
দালানগুলোর সাথে ধাক্কা খেয়ে আবার ফিরে এসে
আমাকে ভূত-পেত্নির ভয় দেখাচ্ছে!
শুনেছিলাম এখানে ভূত-পেত্নিরা থাকে না
যখন কংক্রীটের দালান ছিল না - তখন জোনাক জ্বলত
শিয়াল ডাকত - ঝি ঝি পোকার ডাকে ভূত-পেত্নিরাও নাচত!
মনে মনে সাহস নিয়ে- ধূত... ভূত - পেত্নিতো এখন বই এর পাতা!
একটু সামনে যেতেই কয়েকটি কুকুর আমার সামনে ও পিছনে
ঘেউ ঘেউ করে আমাকে কয়েক কদম এগিয়ে দিল
হয়ত আমাকে চোর নয়ত এমপি- মন্ত্রী ভেবে এই রাজকীয় অভ্যর্থনা!
ভীরু ভীরু মনে দেখলাম অশ্বথের তলে দু’টি ছায়া ছায়া দুলে
একটু এগুতে দেখি- এ’তো আমারি মত আশরাফুল মাখলুখাত!
ভয় গেল উবে, বললাম- কেমন আছেন?
একজন ধরল চেপে কলারে, আরেকজন নল ধরল মাথায়
যা আছে দে- না হলে যাবি পরপারে!
এখন আমি উলগ্ন দাঁড়িয়ে- ঘোর আন্ধকারে।।