লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২১ এপ্রিল ১৯৮৪
গল্প/কবিতা: ৫টি

সমন্বিত স্কোর

৩.২৭

বিচারক স্কোরঃ ১.১৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftব্যথা (জানুয়ারী ২০১৫)

পিকুর অন্তর্বেদনা
ব্যথা

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.২৭

পবিত্র বিশ্বাস

comment ৫  favorite ১  import_contacts ১,০১৬
সারাটা দিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টির পর সন্ধ্যার একটু আগেই বৃষ্টির ধারা হঠাৎ থেমে গেল।
ছোট্ট পিকু যেন কেমন মনমরা হয়ে আছে। যতই হোক বন্ধুদের সাথে বিকেলের খেলাটা একেবারেই মাটি হয়ে গেল। তার উপর আবার রাত পোহালেই অঙ্ক পরীক্ষা। পিকু যে কি করবে তা ভেবে উঠতেই পারছে না। একটা সময় তার দুচোখ ভরে জল এসে যায়--। এখনও তার বেশীরভাগ অঙ্কই প্র্যাকটিস করতে বাকী রয়ে গেছে।
ওদিকে মা তো তাড়া দিতেই আছে পড়াশুনার জন্য - 'পিকু-উ-উ-উ। ও পিকু-উ। বাবা আর একটু হাত চালিয়ে অঙ্কগুলো করে সে সোনা'।
কথাগুলো যেন বালক পিকুর কানে তীরের মতো এসে বাঁধে।
বরাবরই পিকু অন্য সব বিষয়গুলোর থেকে অঙ্কে একটু কাঁচা। যেন অব্যক্ত একটা যন্ত্রণা তার ভিতরকার অস্থি-পেশীকে অবশ করে দেয়। এ অনুভূতি কারো কাছেই সে শেয়ার করতে পারে না।

অবুঝ মনটা যেন ছট্ ফট্ করে এক ছুটে চলে যেতে চায় পড়াশুনার গণ্ডী পার হয়ে বহুদূরে কোন এক নির্জন স্থানে- যেখানে সে একাই নিজের মনে যা ইচ্ছা খুশি করতে পারবে।
এদিকে সময়ের ব্যবধানে রাত একটু করে এগিয়ে চলে- আর পিকু যেন একরাশ হতাশা আস্তে আস্তে গ্রাস করতে থাকে। ভাবতে ভাকতে এক সময় সে ঘুমের দেশে পাড়ি দেয়।
সকাল না হতেই মায়ের চিরপরিচিত কণ্ঠস্বরে পিকুর ঘুম ভেঙে যায়। চোখে-মুখে হতাশার, বেদনার চিহ্ন তখনও ম্লান হয়নি। নিতান্ত অনিচ্ছাসত্ত্বেও পরীক্ষার জন্য সে তৈরি হয়। যথা সময়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষা দিলেও পরীক্ষা কিন্তু মনের মত হয়নি। আসলে না পারার বেদনা যে সে কাইকে বলতে পারবে না - কেননা এ ব্যথা তো তার একান্তই নিজস্ব ব্যক্তিগত ব্যাপার।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement