তোমার ছায়ায় নির্ভরতা
পাহাড় কুঁদে বেরিয়ে আসা ঝর্ণার অনাবিল ধারায় সিক্ত করি মনের উত্তাপ;
অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখি অনুপম কোন এক খোদাই ভাস্করের
মসৃণ হাতের নিখুঁত কারুকাজ।
শক্ত নির্জীবের মাঝে কোন্‌ সে জাদুর ছোঁয়ায়...
ছিঁড়ে আনা যায় এমন জীবন্ত জলধারা!
ভূলোক, দ্যুলোক, অন্তরীক্ষের ---
নিষ্পেষিত কদর্য সমস্ত অনাচারকে,
কোন্‌ সে অনন্ত মায়ায়
ভিজিয়ে দেওয়া যায় রহমতের এমন কাঙ্ক্ষিত স্রোতধারায়!
চির সুন্দরের প্রতিটি বিন্দুর মাঝে যার অহর্নিশি মিশে থাকা
কেমন করে সে শুষে দেয় পাপিষ্ঠের সমস্ত অসুন্দর!
আরশকাঁপানো সীমালঙ্ঘন?
কোমলতার কি সুমহান আধার এক, যার ছুঁয়ে দেওয়া সকল কিছুতেই
কেবলই পরম করুণার অবগাহন... আশীর্বাদের পূণ্যময় আলোকবর্তিকা!
যার সৃষ্টির এক চিলতে অংশ হয়ে,
পরম কৃতজ্ঞতায় নতজানু হই
দিবানিশি।
অসীম শ্রদ্ধায় উজাড় করে দিই নিজের মাঝে খুঁজে পাওয়া
তারই দেওয়া এককণা কোমলতার অংশ...অশ্রুধারা।
অজস্র মোহময় সর্পিল বাঁকে,
পাক খেয়ে ফিরে আসি তারই কাছে;
বারে বারে।
তার কোমলতার চিরশান্তির ছায়ায়
ঝুঁকে থাকি অপার বিস্ময়ে, প্রগাঢ় নির্ভরতায়।