মুঠো-বন্দী জীবন
জতুগৃহে বেঁচে আছি তুমি আমি, আজ কতদিন!
কষ্টগুলো নীল ফানুশ হয়ে উড়াল দিয়েছে মধ্যগগনে,
ফিরিয়ে আনার তাড়া ছিল না যে বড়...
সুখপাখি দূর থেকে ডানা ঝাপটিয়ে চলে গেছে
সীমানার ওপারে,
দৃষ্টির ঝাপসা কোন কোণে আজ তার বসবাস।
মরীচিকার মত হাতছানি দিয়ে ডেকেছে যাপিত দিন,
বেলা-অবেলার অণুগল্প।
ভালোবাসা মরে গেছে মনে তো হয়না আজো,
তবু কিসের নিদারুণ তাড়নায় দুর্বিনীত আমাদের দিবারাত্র?
বেঁচে থাকার ক্লান্তিতে হাঁসফাঁস প্রহরগুলো?
ঘুণে ধরা সম্পর্কের জালে কত সব শ্যাওলারা আটকা পড়েছে।
খুঁজে নিতে চেয়েছে শিকড়ের আলিঙ্গন,
যত সব ভেসে চলা কাঙ্গাল পানা।
বুকভরা ঘৃণা বুঝি কম ছিল,
জাল কেটে ফেলে দিয়েছি ফের
অজানা জলরাশি-মাঝে।
অনাহূত অনাকাঙ্ক্ষিত দুষ্ট ক্ষতের মত মিশে যাক নিঃসীমে।
অনন্ত মায়ার জালে তুলে নিয়ে আসি মণি মানিক্য,
সাধ করে সাজিয়ে রাখি কাঁচের আড়ালে, দৃষ্টির খুব কাছে।
আমাদের জতুগৃহে আজো জড়াজড়ি বাস করে
ঘৃণা আর ভালোবাসা,
তৈরি হয় মিঠে-কড়া অষ্টব্যঞ্জন।
তুমি আমি নিমিত্ত কেবল...