বন্ধু, কেমন আছো তুমি ?
তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে হয় ।
প্রতিদিন জানালায় চেয়ে থাকি,
কখন আসবে তুমি..
আবার কবে হবে দেখা...
উদাস দুপুরে দূর মেঠো পথে
অপলক চেয়ে থাকি
এই বুঝি আসছো তুমি...
কিন্তু, না ।
কেন’ই বা আসবে আর কাঁচ ভাঙার শব্দের কাছে
তোমার বুকে যে এখন ,
বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ..
বেশ আছি আমি, তুমি ভালো আছো জেনে ।
হঠাৎ সেদিন আৎকে উঠলাম..
তোমার অঞ্জলি পাওয়া সেই ‘পা’ কে
ঠাঁই দিলে হিমালয়সম তোমার বুকে ।
বিদ্যুতের তারের মতো দেহ তারে
তোমার অদ্ভুত ভালোবাসার,
কত কথা’ই না শুনলো সে ।
তুমি কবিতায় লিখেছো-
ওর বুকে একটু ঠাঁই পাওয়ার আশা করেছিলে ,
তা হলো না ।
খুব কষ্ট পেয়েছো, না ?
তুমিতো এও লিখেছো-
তোমার চোখে যেমন অশ্রু ছিলো,ছিলো ওর ও ।
কষ্ট পেয়েও না বন্ধু,
যে বৃষ্টির শব্দ শোনাতে পারে
যে এমন অদ্ভুত মায়া তৈরী করতে পারে
সে শুধু বুকে কেন ?
একদিন বুকের গভীরে- আরো গভীরে
নিতেও তো পারে তোমায়...
তাকে তোমার গল্প ও কবিতায় যে ভাবে অলংকৃত করেছো
সেখানে ওকে অন্যকিছু ভাবা যে পাপ ।
তোমাকে হারিয়ে আমি যে কষ্টের সাগরে ভাসছি
সেই সাগরে নিশ্চয়ই ভাসবে না সে...
আমি বিশ্বাস করি, ও ভালোবাসার মমতার প্রেমের শ্রদ্ধার
ঐশ্বরিক এক নারী চরিত্র,
যে চরিত্র বাংলা সাহিত্যে অহংকারে পরিণত হচ্ছে,শীঘ্র’ই ।