কত বর্ষায় তোর সাথে ভিজিনি আমি
কত হেমন্তের সকালে ছুঁয়ে দেখিনি তোর ঠোঁট......
ঠোঁটের ওপারের তৃণভূমির সীমারেখা, তার ওপর ফোঁটা ফোঁটা
শিশিরের জল।
হাত বিভাগের পরে,
কত শীতে ওম নেইনি তোর বিপজ্জনক নীরব হাতের।

ডাকনামে ডাকার পর দু-এক পেগ হাসি ছিল। কেন?
তুই হঠাত বলবি বলে-"ইসস, হাসলে তোকে কী সুন্দর লাগছে।"

তোর দেওয়া চোট-আঘাত সামলে রাখি ডায়েরীর পাতায়।
তোর দেখানো স্বপ্নগুলো লুকিয়ে দেখি রাতের দুঃস্বপ্নে।
তোর দেওয়া কান্নাগুলো কাঁদি ভিতরে, উপরে খুব হাসি।
তোর দেওয়া ব্যথাগুলোর সাথে ছাদে বর্ষায় ভিজি,
মেঘবালিকা আমি।

বুকব্যথা, অচেনা নিজেকেই
এখন ডাকনামে ডাকি।
তারপর আয়নার সামনে দাঁড়াই, বলি-
"ব্যথায় তোকে কী সুন্দর লাগছে।"
সময়ে-অসময়ে তোর দেওয়া চোট -আঘাতগুলো ছুঁয়ে দেখি।
চোট কি পুরানো, তবু এখনও কলমের নিব ছোঁয়ালেই
খুব ব্যথা করে।