হে দিগন্ত,
তুমি কত অস্তিত্বহীন ।
সিমানা বিহীন বিদ্রিণ ।
হে দিগন্ত তোমার দিকে চাহিয়া থাকি কি আমি অনর্থ ।
তুমি অজানা বিস্তীত্ব ।
তুমার পানে চায়া আমি মজিয়া থাকি ।
দিকের শেষে তুমি দাও যেন দুষ্ঠো উকি ।
সন্ধা হয় মোহর্ত পাখিরা সব ফিরছে নীড়ে ।
আর আমি ব্যস্ত , মহা ব্যস্ত দিগন্ত ঘীরে ।
গুধুলি সময় হলেই থাকায়া থাকি দিগন্তের দিকে ।
কি খুহক ,কি মমতা দিগন্ত কে ঘিরে রাকে ।
কি অজানা রহস্য জানার তরে ব্যস্ত আমি ।
কি সুন্দর ধরণী সৃজন করেছেন অন্তরযামি ।
এই কথা ভাবিয়া যার কাটে দিন-রজনি ।
সে বলে ,প্রকৃতির রহস্য আজও বোঝিনি ।
তাই আনমনে থাকায়া থাকি দুরন্ত দিগন্তে ।
প্রকৃতির নানা রহস্য অজানাকে জানতে ।
মনে করি আমি প্রকৃতি জ্ঞানের ভান্ডার ।
এইখান থেকে যে খুশি সেই পারে কিছু জ্ঞান করতে আহার ।
তাই তো আমি থাকায়া থাকি দিগন্ত পানে ।
নতুন বিশ্ব রঙিন করতে চাই নতুন বিজ্ঞানে ।
আমি চুব আকাশ ,দেখব বাতাশ ।
তাইতো আজ হয়েছি হতাশ ।
এই দুনিয়ায় রাখতে চাই নতুন ইতিহাঁস ।