সময়ের নিয়মে বাধা পড়ে,
মেনে নিয়েছো তুমি শাশ্বত ভুলকে,
নিজের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে হলেও
তুমি আজ বড় স্বার্থপর,
অন্তত আমার কাছে।

জানি আমি;
সিঁদুরে আবদ্ধ ঐ ঔদ্ধত্যকে অস্বীকার করার সাধ্য তোমার নেই কোনদিনও।
সেদিনও ছিল না,
যেদিন সব ছেড়ে এসেছিলাম তোমার কাছে।
তুমি তখন দোহাই দিয়েছো জাতের
দোহাই দিয়েছ সমাজের।

আর সেদিন থেকেই,
প্রতিটি বিসর্জনের নির্ঘুম রাতে
পুড়েছে একের পর এক মোমের সলতে-
দিশলাইয়ের কাঠি ও বারবার ছুঁয়ে গেছে বারুদের গা।
আগুন জ্বলতে জ্বলতে নিভে গেছে,পোহায় নি রাত।
আমি কেবল দহন জ্বালার ভাগিদার হয়েছি
প্রতিটি মুহূর্তে।

তোমার কি মনে পড়ে,
সেই প্রতিশ্রুতিময় দিনগুলো কথা।
প্রথম প্রনয়ে তোমার হাতে রেখেছি হাত;
আমার হাতের মৃত কোষগুলো জীবন্ত হয়ে উঠেছিল তোমার আঙুলের স্পর্শে।

আজোও হৃদপিন্ডের ওঠা-নামায় প্রতিবার
স্পন্দিত হয় তোমার নামের প্রতিটি অক্ষর,
আর আমি শুনতে পাই সেই স্পন্দনের শব্দ,
যদিও অক্ষর জ্ঞান আমার নেই, তবুও।

অথচ
এতকিছুর পরেও;
তোমার ফেরার পথে চেয়ে এখনো
একা দিনমান
শুধুই তোমার ফেরা হয়ে উঠলো না কোনদিনই আর...