লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৮ নভেম্বর ১৯৯৪
গল্প/কবিতা: ৬টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftবৈশাখ (এপ্রিল ২০১৫)

তার আগমনেই
বৈশাখ

সংখ্যা

মাইদুল আলম সিদ্দিকী

comment ২  favorite ০  import_contacts ২৬৩
মৌটুসীর বাটি আকৃতির বাসা, পাতার
আঁশ যোগে টুনটুনির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি আপন নিবাস কিংবা
বাবুই পাখির ঝুলতে থাকা কুঞ্জ। প্রতিটি শিল্পই
লন্ড-ভন্ড করবে বিশাখার আপন কন্যা
কালবৈশাখী—
অথচ বারবার তাকেই ডাকি;--

কেনই বা ডাকবনা!?
বৈশাখের আগমনেই তংশা প্রজাপতির ঘুম ভাঙ্গে
ফড়িং-এর বুকে আসে নব-যৌবন
শুরু হয় ভ্যাপসা হাওয়ার বিকেলে ক্ষমতার উড়াউড়ি;
তার আগমনেই পালাসি-ফড়িং ফিরে আসে শীতকালে।
বুরো ধানের শুষ্ক খড়ের মত
ঝিয়ারীর শুষ্ক বেনুনীতে তেল জুটে তার তার আগমনেই;
তার আগমনেই বেঁজে ওঠে রাখালের ক্লান্ত বাঁশি,
স্নান করে কুঁড়ে গাংচিল
দুরন্ত বালক ঝাঁপ দেয় নদীতে
নেংটো শিশু লজ্জায় হাত ধরে নোনুতে।
তার জন্যই তো আম ফুলের নাম হয়েছে আমের মুকুল
বিশাখার কন্যার দুল আমের কুঁড়িয়ে ছড়িয়ে দেয় স্নিগ্ধ ঘ্রাণ।
কালবৈশাখীর রাতে ঝরে পরে আম
ভোরে আম কুড়ানোর আনন্দ লুটে নেয় অবুঝ বালক।

তার আগমনেই কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুলের হলদে ডোরার ন্যায়
কুমারী অঙ্গে জড়ায় সপ্ত রঙ্গের নকশা আঁকা শাড়ী
পলাশের মাধুর্য বয়ে যায় তরুণীর যৌবনে।
কুমারীর পাপড়ীর দৈর্ঘ্য হয়ে ওঠে
চোখের দৈর্ঘ্যের এক-তৃতীয়াংশ...
সহস্র তরুণী নেমে আসে বাঙালী সাজে রাস্তায়
তরুণেরা ডাক-ঢোলে বিশাখার গান গায়।
এ আনন্দ বয়ে যায় শত আলোকবর্ষ দূরে
অংশগ্রহণ করে সব জাতি, শত আত্মা, শত লাশও
সকলে এক কণ্ঠে গায়, “এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।”

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement