কটু বিষাক্ত অ্যামোনিয়ার গন্ধে যখন অল্প জ্ঞান ফেরে, সিঁড়ী দিয়ে উঠতে উঠতে যখন নিজের ছায়া দেখে চমক লাগে, খোলা প্রান্তরের বুকে হাঁটতে গিয়ে যখন অজান্তে হাওয়াকে হাতড়াই কিংবা যখন ব্যস্ত রাস্তার বুকে হাওয়ার হাথ ধরে দৌড় লাগাই, আর তারপর নিজেই বেকুব বনে যাই, তখন কেমন জেন অর্থহীন, উদ্দ্যশ হিন মনে হয় চারিদিকের রোজকার ঘটনাপ্রবাহ।
তারপর, তারপর নিজেকেই বোঝাই,"ওসব কিছুই নয় শুধুই ভ্রম, অনেকটা পথ হাঁটা বাকি, আছে সামনে আরও অনেক পথ অল্পেতে হার মানলে চলবে না কিছুতেই, না জীবন জুদ্ধে হার মানব না কিছুতেই।"
শুধু পুরান অভ্যেস বশে......... যখন হাওয়ার হাথ ধরতে যাই, বা নিজের ছায়াটাকে - আঁকড়ে ধরতে চাই বুকের ভিতরে, কখন জানি অজান্তে- বৃষ্টি নাবে, অনেকটা পথ হাঁটা বাকি, আরও অনেক পথ...
মাঝে মাঝে ক্লান্ত লাগে ভীষণ, গভীর রাত্রির বুকে একা একা বেরিয়ে পড়ি অজানা কোন নিশিডাকে, কিন্তু অজান্তে চাঁদের পানে নজর গেলে- হতাৎ যেন সমস্ত কিছু লোপ পায়, অপলক তাকিয়ে থাকি- মোহগ্রস্থের মত আর ভাবি- এই মুহূর্তে ঠিক এমনি ভাবে চাঁদের মায়াজালে বন্দী শুধু আমি একা নই হয়ত ...
তারপর কখন জানি অজান্তে সূর্য ওঠে পূব দিগন্তে, ঠিক চোখের রঙ এ রেঙে, আর আমি ক্লান্ত পায়ে ধীর গতিতে ফিরে চলি ফেলে আসা খাঁচার পানে। সূর্যের আঁধারে নিজেকে লুকিয়ে ফেলি আর মনে মনে মন্ত্রের মত জপতে থাকি " অনেক রাস্তা হাঁটা বাকি সামনে অনেক পথ, অনেক জীবন বাঁচা বাকি আপন হোক বা পর।"
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
গোবিন্দ বীন
তারপর কখন জানি অজান্তে সূর্য ওঠে পূব দিগন্তে,
ঠিক চোখের রঙ এ রেঙে, আর আমি
ক্লান্ত পায়ে ধীর গতিতে ফিরে চলি ফেলে আসা খাঁচার পানে।
সূর্যের আঁধারে নিজেকে লুকিয়ে ফেলি আর
মনে মনে মন্ত্রের মত জপতে থাকি " অনেক রাস্তা হাঁটা বাকি
সামনে অনেক পথ, অনেক জীবন বাঁচা বাকি আপন হোক বা পর।"ভাল লাগল,ভোট রেখে গেলাম ।পাতায় আমন্ত্রন রইল।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।