লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftঅসহায়ত্ব (আগস্ট ২০১৪)

বাঘ-শিয়াল
অসহায়ত্ব

সংখ্যা

মোঃনাজমুল হোসেন বাবু

comment ৭  favorite ০  import_contacts ৫,৩৪৬
{ গল্পগুচ্ছ }
এক গহীন বনের মাঝ দিয়ে হেঁটে চলছিল তিন বন্ধু কিন্তু মনে তাদের ছিল ভিষন ভয় ,বাঘ যদি এসে তাদের আক্রমণ করে,এই ভয় নিয়ে পথ চলতে কষ্ট হচ্ছে তাদের, তাই বনের মাঝে দাঁড়িয়ে তিন বন্ধু বুদ্ধি বের করলো,যে জোরে জোরে চিৎকার করে বলবে,আমারা বাঘ ধরতে এসে ছি, বাঘ বাঘ কৈ, বাঘ খাবো।
এই কথা বলছে আর বনের ভিতর দিয়ে পথ বের করে করে তারা তিন বন্ধু হাঁটছে নির ভয়ে,তবে তাদের পাশ দিয়ে যাবার সুমাই এক বাঘ এ কথা শুনতে পেলো, এবং ভয়ে দিলো দৌড়, দৌড়াতে দৌড়াতে বনের মধ্য বাঘের সাথে দেখা হয়ে গেলেও শেয়াল পন্ডিতের,শিয়াল চেচিয়ে বলি হয়া উঠিলো,

-দাঁড়াও বাঘা মামা,দৌড়াও কেনও?

—আর বলো না, কার যেনও বনে মধ্য এসে আমাকে খুজছে, আমাকে মেরে খেয়ে নিবে,তাই বাঁচার জন্য পালাই তাছি ,পন্ডিত।

—দুরও বাঘ মামা, তোমাই ভয় দেখাই তাছে,এই বনে তো তুমিই বেশি শক্তি সালি,

—অত শত বুঝিনা, আমি দৌড় দিমু আর তুমিও বাঁচতে চাইলে দৌড়াও পন্ডিত।


—কি বলো বাঘ মামা,আমি আছি না চলো দিয়ে দেখি, তোমার ভয় ভেঙ্গে যাবে আর রাতে ভালো আহার পাবে,
বাঘ- না ,কাছে গেলেই তুমি আমাই রেখে দৌড় দিবে, পন্ডিত।

—না বাঘ মামা না, বিশ্বাস নাা হলে, তোমার লেজের সাথে আমার লেজটা বেঁধে গিট্টু পেরে দাও, তাহলে তো আর তোমাই রেখে আমি পালাই তে পারবো না,

—ঠিক আছে, তাই করো।

লেজে লেজে গিট্টু দিয়ে বাঘ শিয়াল চলতে শুরু করলো,চলতে চলতে তারা যখনি তিন বন্ধুর কাছে চলে এলে আর সেই কথা সুনতে পেলো আর আমরা বাঘ ধরতে এসে ছি,বাঘ কৈ বাঘ খাবও তখন আর বাঘ কে পাই কে ,ভয়তে আবার দিলো দৌড়,আর শিয়াল চেচাতে থাকে থামো থামো বাঘ মামা, কে কার কথা শোনে বাঘ আরো দ্রুত দৌড় দেই,অবশেষে গাছের আঘাতে আঘাতে শিয়ালের প্রান হারাই।

বিঃদ্রিঃ এক জন ব্যাক্তি যতই শক্তি শালি হক না কেনও যদি মনে সাহস না থাকে তবে তারে যুদ্ধক্ষেত্র সঙ্গী করা যাই না,

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement