নগরী'র শরীর বেয়ে উপচে পড়ছে পাপ
বোধের মুক্তোদানাগুলো নিশ্চুপ, নির্বাক
ঈশ্বর তুমি কি দেখোনা? তুমি কি দেখোনা,
মৃত্তিকা কেঁপে ওঠে আজ কেমন পাপের তীব্রতায়!

যুবতীর শরীরে লেগে থাকে অযাচিত বীর্যের দাগ
উপেক্ষায় কুঁকড়ে যায় অবাঞ্ছিত নবজাতক
অযত্নে পড়ে থাকে কিশোরের রক্তমাখা লালজামা
বিবাগী যুবকেরা ছুঁড়ে ফেলে দেয় রাশি রাশি সবুজ স্বপ্নের হলফনামা!
এসব আবর্জনার ভীড়ে নগরী'র স্বাভাবিক আবর্জনাগুলো
কেমন জানি মিইয়ে যায়!

ঈশ্বর, অবরুদ্ধ নগরীর দ্বার খুলে দাও
অপ্রিয় মৃত্যুর ছোবলে নীল হতে চায়না আর কোন নিষ্পাপ আত্মা!
শুদ্ধতার বীজ বুনে দিয়ে যাও ক্ষয়ে যাওয়া নগরী'র বুকে
মানব মানবী'র প্রেমের প্রদীপ ছুঁয়ে দিক নগরীর যত অন্ধকার
পাথুরে নদী'র জল বেয়ে নেমে পড়ুক কোন স্নিগ্ধ জলপরী
প্রিয় মৃত্যু নিবিড় করে কাছে টানুক-
স্বাভাবিক মৃত্যু'র আক্ষেপ করেছিলো যারা!