যুদ্ধ শেষে বেঁচে থাকা নিঃসঙ্গ যোদ্ধার অনুভূত শূন্যতার মতো
আমি শূন্যতা আপন করে ছুটেছি গন্তব্যের পানে অবিরত।
ঝলমলে ব্যস্ত শহর দিন শেষে যখন ঢলে পড়ে ঘুমঘোরে,
যখন গলি ঘুপচি সব সুনসান, শুধু দুয়েকটা কুকুর ঘুরে মোড়ে,
যখন নির্জন পার্ক স্ট্রিটের গাছগুলোর পাতায় সুর তোলে রাতের দীর্ঘশ্বাস
তখন স্নিগ্ধ চাঁদের পানে চেয়ে আমি লিখে যাই আমার শূন্যতার ইতিহাস।
ভাবিনি এমনও দিন কভু আসবে জীবনে, ব্যস্ত ছিলাম আমি মানুষের ভিড়ে,
বহুপথ পেরিয়ে দেখি আজ মহাশূন্যের শূন্যতা এসে দাঁড়িয়েছে আমায় ঘিরে
অসময়ে চুপিসারে সবাই যে যায় ফেলে, নিঃসঙ্গতা কভু করেনি আমায় পর
আজ শূন্যতা আমায় ভালোবাসে আর নিঃসঙ্গতা আমার চির বন্ধুবর
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
মানবতার কাজে ব্যস্ত এক মানুষের সুসময়ে ঘিরে থাকা আপনজন বা তার চারপাশের চেনা-জানা লোকজন যখন নিঃসঙ্গ শূন্যতায় ফেলে রেখে যায়, তখন তার আর কিছু করার থাকে না। তার কাছে শূন্যতাই তার ভালোবাসা, নিঃসঙ্গতাই তার চিরসঙ্গী।
১৩ জানুয়ারী - ২০১৪
গল্প/কবিতা:
৬ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।