তোরা যে যাই ভাবিস, যে যাই বুঝিস, আমার নেই মাথা ব্যথা
আমি নিজের পথে একাই হাঁটব, এটাই আমার সাফ কথা।
তোরা পথের উপর চাস্ হাঁটতে আর দূর্গম তোদের ভীষণ ভয়
অগমেই আমার গমন ও ভ্রমণ, জীবন মানে দুঃখ জয়।

কিসের এত দ্বিধা সংকোচ, তোর কিসের এত ভয় ?
জীবন – যাকে আপন ভাবিস, তা তোর একার সম্পদ নয়
মানুষ সে কি মানুষ যে শুধুই নিজের জন্যে বাঁচে ?
ভবে আসা-যাওয়াই সার,জীবন দুর্বোধ্য তার কাছে।

যদি সূর্য হতে না পারিস দীপ হয়ে জ্বলতে থাক
জীবনটা তো একার নয়, এতে শত লোকের ভাগ
মানব রূপে জন্ম তোর, রাখ অক্ষুন্ন তোর পরিচয়
কর্মের জন্য জন্ম সবার, কর্মেই মানুষ অমর হয়।

ওরা – যারা পথ চেয়ে আছে তোর মতো যোদ্ধার
ওদের কাছে তোর আত্মহনন শামিল গণহত্যার
ভূমিষ্ঠ তুই যে ভূমিতে, বল্ কে শোধবে ঋণ তার ?
যার গর্ভে তোর জন্ম, বল্ কাটবে কিভাবে দিন তার ?

ঝেড়ে ফেল্ রে তোর বুকের ভয়, যা ঠেলছে তোকে পিছন পানে
নতুন সুরে নতুন গানে, চল রে নতুন আহবানে
বন্ধু, তাই আজ
তোল্ তুই আওয়াজ –

ভয় নেই ওরে, আসুক যতই নিকষ কালো অন্ধকার
হাত গুটিয়ে ঘাঁপটি মেরে থাকব না আর রুদ্ধদ্বার
আমার চলার পথে দেবে বাঁধা দেখি আজ সাধ্যিকার
ডাকছে আমায় দীপ্ত শিখা শুদ্ধ আলোকবর্তিকার।