বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৭
গল্প/কবিতা: ১৯টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৯৪

বিচারক স্কোরঃ ২.৭৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১৯ / ৩.০

চুপকথার ধূপছায়া

ঘৃণা সেপ্টেম্বর ২০১৬

কেউ কিছু বুঝে না

ভয় এপ্রিল ২০১৫

প্রজাপতি ক্রসিং

দিগন্ত মার্চ ২০১৫

বাংলা ভাষা (ফেব্রুয়ারী ২০১৩)

মোট ভোট ৭৩ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৯৪ বোধোদয়

জালাল উদ্দিন মুহম্মদ
comment ৫০  favorite ৪  import_contacts ১,০৮৬
জন্মেই হাঁটতে শিখে কেউ, কেউবা ডানা ঝাপটানো, সাঁতার
আমার পুরো আঠার মাস অতঃপর মাটি আর ঘাস, বসবাস-
সহবাস করেছি ভিনদেশী আওয়াজ । দুরন্ত কৈশোর আজি
কেঁচোর লাঙলে ধরি হাল । মনপবনের হাওয়ায় ফসলের গান
জিয়ন কাঠিতে জোয়ার আসে হেতা গাঙশালিকের ঝাঁক।
এক হাঁটু কাদা জল, হাঁটে জল-শামুক বাটি-ঝিনুক
ডানকানা মেলে ডানা, সর্ষে দানায় নামে কিম্ভূত ভূত।
নাচে গাছের পাতা প্রজাপতি পাখা কলসি-কাকে কুমারী নূপুর
দুপুর গড়িয়ে ঝিকমিক গাড়ি গড়ায় বেতস আঙিনায়।
মরীচিকা চমকে উড়েছি হাওয়ায়, স্বপ্ন সাধ সেও এবেলায়
বোকাই বাড়াবাড়ি, ভুলের ধুলিপাহাড়, যেখানে যেমন যাহার
চোখে মুখে বোবা কান্নারা হেসে মরে নিতুই অচিন বাঁকে।
বিত্তের পাহাড়ে দাঁড়িয়ে শাদা বক এক পা ধ্যান করি
শুধু তোমারেই স্মরি । বুকের গহিনে জমাট কথারা ইশারায়
নিরিবিলি নিরালায় চিৎকারে ভেঙেছে আলগোছে পাঁজর।
আর নহে কেহ অঘোম মোহ পরিয়েছে লাগাম এ পুড়া মুখে
আজি বেলাশেষে অবশেষে ফুটল বোল মনের ফুল
দুঃখিনী বাঙলা মায়ের আঁচল তলে ভেঙে দু'ঠোট
বাঙলায় কাঁদি বাঙলায় হাসি বাংলায় গাই আহা
মরি যদি তব বচন সুধায় সে যে অনন্ত অমৃত সম ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন