বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ ডিসেম্বর ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ২টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

গল্প - ঐশ্বরিক (মার্চ ২০১৭)

মোট ভোট অচেনা নীলাদ্রি

শামীম আহমেদ
comment ২  favorite ০  import_contacts ৬৮
--সকাল ৭টা বাজে। এলার্ম বাজতেই ঘুম ভেঙ্গে গেল। হাত মুখ ধোয়ে ফ্রেশ হতে গেলাম,ফ্রেশ হয়ে নাস্তা বানাতে লাগলাম ।নাস্তা বানাতে বানাতে প্রায় ৮ টা বেজে গেল।হালকা নাস্তা করে এককাপ কফি নিয়ে বারান্দায় আসলাম। এসে আমার প্রিয় দোলনি চেয়ারটার উপর আরাম করে বসলাম। সকালে প্রকৃতি সত্যি অনেক শান্ত-শিষ্ট আর অনেক নির্মল হয়। আমার ভালই লাগে,,বলতে গেলে প্রকৃতি, গাছ-পালা,জীব-জন্তু এরাই আমার একমাত্র বন্ধু। কেননা এরা ছাড়া আমার তেমন আর কোন ভাল বন্ধু নেই,তাই এদের নিয়েই আমার সারাদিন কাটে। এই মুহুর্তে তেমন কোন কাজ নেই,তাইচোখে চশমা দিয়ে পত্রিকায় একটু চোখ বুলাতে লাগলাম।পত্রিকা পড়তে পড়তে কখন যে ঝিমুনি এসে গেল টেরই পাইনি, হঠাৎ কলিংবেল বেজে উঠল,কলিংবেলের আওয়াজে তন্দ্রাভাব চলে গেল,,,ভেবে একটু অভাক হলাম আমার বাড়িতে তেমন কেউ আসে না,তাও আবার সাঁঝ-সকালে কে আসল। উঠে দড়জাটা খুললাম,,, অতিথিকে দেখে একটু অভাক হলাম, দেখলাম একটা যুবতি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বুঝলাম না এই সকাল বেলা এই মেয়েটি আমার কাছে কেন,আমারা সাথেত মেয়েদের তেমন কোন সম্পর্ক নাই,তবে এই মেয়েটি কে,,,,,,মেয়েটি যেই হুকসেটা ব্যাপার না,,তবে মেয়েটি দেখতে বেশ ছিল। মেয়েটি বেশি সাজুগুজু করেনি,অবশ্য কম সাজগুজ করা মেয়েদেরই আমার বেশি পছন্দ। নীল রং এর একটা শাড়ি,ঠোটে গাঢ় লিপস্টিক,চোখ কাজল,আর কপালে
ছোট্ট একটা টিপ, কেমন যেন মায়া আছে মেয়েটির মাঝে,,,আমি কখনো কোন মেয়ের দিকে এভাবে তাকাইনি,,,,কিন্তু যানিনা কেনো এই মেয়েটার দিকে নির্লজ্জের মতো তাকিয়ে তাকলাম।
,
-"আসসালামুয়ালাইকুম স্যার (অচেনা মেয়েটি)
.
-"ওয়ালাইকুম সালাম (আমি)
.
-"আপনি কি সেই বিখ্যাত লেখক হিমেল স্যার??
.
-"কেনো আপনার কি মনে হয়??
.
-"আমার ত মনেই হয় আপনি কিন্তু,,,,,
.
-"কিন্তু কি??
.
-"না মানে আমি যেমনটা ভাবছিলাম আপনি মোটেও তেমন নন।
.
-"তাই নাকি,,,,তা আপনি আমাকে কেমন ভাবছিলেন??
.
-"না মানে আপনার লেখাগুলা পড়ে ভাবছিলাম আপনি একটু বয়স্ক হবেন,,,,দাড়ি-গোফ অনেক লম্বা লম্বা হবে,,,,গায়ে ডিলা ডালা জামা পরবেন,,একটু ঝুকে হাটবেন,,,,কিন্তু বাস্তবে আপনি ত অনেক ইয়াং,স্টাইলিশ, ছোট ছোট দাড়ি,,,টিশার্ট পড়েন।
.
-"হাহাহাহা আপনার কথা শুনে না হেসে পারলাম না। আপনিত আমাকে নিয়ে অনেক বেশি ভেবে ফেলছেন,,,,,
,
মেয়েটি আমার কথায় একটু লজ্জা পেল,,তাই নিচের দিকে তাকিয়ে রইল। আমি বললাম --
,
-"আরে আমি কত্ত বোকা দেখুন,, মেহমান আসছে আর আমি দড়জায়ই দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলা শুরু করে দিছি,,,আসেন ভেতরে আসেন।
,
মেয়েটা আমার পেছন পেছন ভেতরে আসল। সোফায় বসতে বললাম।
,
তারপর বললাম -"তা কি নেবেন চা না কফি? আমি অবশ্য চা খাই না।
.
-"কফি হলে মন্ধ হয় না,,তাও যদি আপিনার মতো একজন বিখ্যাত লেখকের সাথে তাহলে ত কথাই নেই।
.
-"হাহাহাহাহা আপনিত বেশ মজা করেন।
.
-"সরি স্যার,,আমি এমনি সবাইকেই আপন ভেবে ফেলি।
.
-"আরে সরি বলার কি আছে,সমস্যা নেই।
.
-" তবে স্যার একটা কথা বলি??
.
-"জ্বী,,বলুন।
.
-"যদি কিছু মনে না করেন তাইলে আমি কফি বানিয়ে আনি?
.
-"আপনি বানাবেন,,হুম মন্দ হয় না,,রান্নাঘর ওই দিকে।
,
মনে মনে ভাবতে লাগলাম,, হায়রে কপাল ব্যাচেলর জন্য একা একা নিজেই কফি বানিয়ে খেতে হয়,,কেউ যদি এভাবে রোজ রোজ আমায় কফি বানিয়ে খাওয়াত,,,,,আফসোস,,,, এসব ভাবনার মাঝেই মেয়েটি কফি নিয়ে আসল।
,
-"স্যার আপনি চিনি কম না বেশি খান?
.
-"বেশি!
.
-"আমি আপনার কফিতে চিনি কমই দিছি। বেশি চিনি সাস্থ্যের জন্য খারাপ।
.
-"আরে এত কিছু মেনে কি আর চলা যায়।
.
-"এটা ঠিক না স্যার,আমাদের সবারই উচিত সব কিছু ঠিক মত মেনে চলা। আমিত এসব ভুল করি না আর কাউকে করতেও দেই না
.
-"উফ,,সেই কখন থেকে বকবক করছি। এখনো পর্যন্ত ত জানাই হল না আপনি কি জন্য এসেছেন।
.
-"আসলে স্যার আমি আপনার একজন ক্ষুদ্র ভক্ত,,,আপনার লেখা আমার অনেক ভাল লাগে।আপনার সব বই ই আমি পড়েছি। একটা বই এত্ত মনযোগ দিয়ে এত বার পড়েছি যে কোন বইয়ে কোন পাতায় কি লিখা আছে সবই আমার মুখস্থ হয়ে গেছে।আপনি স্যার সত্যি অসাধারণ লেখেন।
.
-"যাওহুক কেউ একজনত শেষ পর্যন্ত আমার প্রশংসা করল। ধন্যবাদ,,
.
-"স্যার আপনিও কম না,,আপনিও অনেক মজা করতে পারেন। এমন ভাবে বলতেছেন যেন আমিই একমাত্র আপনার ভক্ত,অথচ সারা বাংলাদেশ জুড়েই আপনার কথা সবার মুখে মুখে।
.
-"হাহাহাহা তাই নাকি?
.
-"হুম স্যার,,,তবে নাহ আপনার বিরোদ্ধে একটা কমপ্লেইন আছে।
.
-"কমপ্লেইন! কি কমপ্লেইন?? আর কে ই বা করল??
.
-"আমার মা স্যার,,,,ওই যে আপনার শেষ বই "অপরিজিতা রমনী" বইয়ে বলেছিলেন নাহ,,,,যে 'হে দুনিয়ার স্বামীগণ স্ত্রীদের তোমরা তোমাদের মন চালাবার দায়িত্ব দিও,,কিন্তু তোমার নিজেকে চালানোর দায়িত্ব দিও না'' একথা নিয়েই আপনার উপর কমপ্লেইন,, যদিও আমার মতোই আমার মাও আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী।
.
-"হাহাহাহাহা,,,আপনার মা তো দেখি বেশ স্বাধীনচেতা মানুষ।
.
-"হুম স্যার।
.
-"আমি আপনার থেকে তেমন বড় নই আমাকে নাম ধরে ডাকতে পারেন।
.
-"তা কি করে হয় স্যার,আপনি অনেক সম্মানী মানুষ। স্যার আজ তাহলে উঠি, আপনাকে অনেক বিরক্ত করলাম।
.
-"আরে নাহ! কিসের বিরক্ত,,,আপনাকে আমার অনেক ভালই লাগছে।
.
-"ওহ! দুর ছাই ভুলে গেছিলাম।স্যার আপনার জন্য মা পায়েস পাঠিয়েছেন,আপনি আপনার একটা গল্পে বলছিলেন নাহ,আপনি পায়েস অনেক পছন্দ করেন,,,কিছু মনে করবেন না স্যার আমার মা এমনি, যাকে ভাল লাগে তাকে নিজের মনে করেন। আর স্যার আমার তরফ থেকে এই ছোট্ট উপহার।

একটা হটপটে পায়েস,আর একটা গিফট বক্স ধরিয়ে মেয়েটি চলে গেল। কিন্তু জানিনা কেন মেয়েটিকে যেতে দিতে ইচ্ছে করছিল না। কি আশ্চর্য এতক্ষণ এত সময় একসাথে ছিলাম,আর মেয়েটার নামই জানা হল না। ধুর আমি আসলেই একটা হবলা।

,
বন্ধুর সাথে রাস্তা দিয়ে হাটছিলাম, হঠাৎ রাস্তার ওপাশ থেকে কেউ ডাক দিল। তাকিয়ে দেখি সেই অচেনা মেয়েটি। আজ প্রায় একসপ্তাহ পর দেখা,সত্যি বলতে এই এক সপ্তাহ এই অচেনা মেয়েটিকে আমি অনেক খুঁজেছি। কিন্তু জানি না কেন এই অচেনা মেয়েটিকে এতত খুঁজলাম। মেয়েটিকে দেখে অনেক খুশি লাগল। মেয়েটি প্রায় দৌড়ে আমাদের কাছে আসল।
,
-"হাই হিমেল স্যার,ভাল আছেন?
.
-"হ্যা আমি ভাল আছি,আপনি কেমন আছেন?
.
মেয়েটি আমার কথার জবাব না দিয়ে জিজ্ঞেস করল -"কোথায় যাচ্ছেন স্যার?
.
-"কোথাওনা ব্যাস এমনিই হাটছিলাম।
.
-"আমার একটা অনুরোধ রাখবেন?? প্লিজ না করতে পারবেন না।
.
-"আচ্ছা আচ্ছা কি অনুরোধ আগে বলো।
.
-"আজ আমি আপনাদের খাওয়াব প্লিজ না করবেন না। প্লিজ প্লিজ প্লিজ।
,
এতকরে বলার পড় মানা করতে পারলাম না। মেয়েটি অনেক কিছু অর্ডার করল। আবার খাওয়া শেষে আমাকে বিল দিতে দিল না নিজেই দিল। এভাবে হাটে-মাঠে,রাস্তা-ঘাটে মেয়েটির সাথে আমার বার বার দেখা হতে থাকল। কখনো সাহিত্য সম্মেলন, তো কখনো বই মেলায় আবার কখনো আমার বাড়িতেই।
,
দিন দিন আমি কেমন জানি মেয়েটির প্রতি দূর্বল হয়ে যাচ্ছি। মেয়েটিকে বিভিন্ন ছুতে কাছে পেতে ইচ্ছে করে।ওহ! বলাইত হয়নি মেয়েটির নাম নীলাদ্রি,,মেয়েটা দেখতে যেমন,নামটাও তেমনি সুইট। আমরা দুজন আমাদের আরো কাছে চলে আসলাম। এর মধ্যে মেয়েটি বাড়িতেও দু বার গেলাম। মেয়েটির মা তো ছেলের মতোই আদর যত্ন করলেন। মেয়েটাও আমায় এটা ওটা খাওয়াত, মাঝে মাঝে গিফট পাঠাত,,, ভালই লাগত।
,
,
বেশ কয়েকদিন পর মেয়েটির ছোট বোন আমার বাড়িতে আসল। এসে একটা কার্ডহাতে ধরিয়ে চলে গেল। খুলে দেখলাম একটা বিয়ের কার্ড,কনের নাম নীলাদ্রি রহমান। নামটা দেখেন কেমন জানি বুকটা কেঁপে উঠল,,খুব খারাপ লাগতে শুরু করল আমার। জানিনা কেন খুব কষ্ট হচ্ছিল,এই প্রথম কারো জন্য আমার মনের মধ্যে এতত কষ্ট হচ্ছে। বুঝতে পারছিনা কি করব। সব কিছু অন্ধকার লাগছে।হঠাৎ মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন জাগল,,আমি এমন করছি কেনো? আমি কি নীলাদ্রি কে ভালবেসে ফেলছি। ভালবাসি কিনা তাও বুঝতে পারছি না আর ভাল নাই বা বাসলে এত খারাপ লাগবে কেনো??আচ্ছা নীলাদ্রি কি আমায় ভাল বাসে?? ও না এসে ওর ছোট বোনকেই বা পাঠাল কেন কিছুই বুঝতেছি না।
,
প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেল।আজ নীলাদ্রির বিয়ে। কখন রাত হয় কখন দিন হয় কিছুরই খেয়াল নেই আমার। খাওয়া,দাওয়া কিচ্ছুই করতে পারছি না। সারাক্ষণ শুধুই নীলাদ্রির কথা ভাবছি। পাগলের মতোই ভাবছি ওর কথা। অবশেষে আমি বুঝতে পারলাম আমি নীলাদ্রি কে ছাড়া থাকতে পারব না,আমার নীলাদ্রি কে লাগবে না হলে আমি বাঁচতে পারব না। আমি ঠিক করলাম আমি একবারের জন্য হলেও নীলাদ্রির কাছে যাবো আমার মনের কথা বলতে। ও আমায় গ্রহন করুক আর নাই করুক আমার মনের কথা ওকে বলবোই যে করে হোক।সাত-পাচঁ না ভেবেই নীলাদ্রিদের বাড়িতে ছুটলাম। পুরো বাড়িতে লোক জনে ভর্তি,,, বুঝতে পারছি না কিভাবে নীলাদ্রির সামনে যাবো। অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে বুঝাতে পারলাম না। আজ আমি নীলাদ্রির সামনে যেতে সাহস পাচ্ছি না।শেষে ছোট্ট একটা চিরকুট লিখলাম -"প্রিয় নীলাদ্রি, আমি জানিনা তুমি আমাকে ভালবাস কিনা,আমি এও জানি না আমি তোমায় ভালবাসি কিনা। কিন্তু আমি গত এক সপ্তাহে বুঝতে পারলাম আমার তোমাকে চাই। তোমায় ছাড়া আমার পৃথিবী শূণ্য। আমি হয়ত তোমায় অনেক বড় জাহাজে রাখতে পারব না,কিন্তু আমি কথা দিচ্ছি আমার ভাঙা ডিঙ্গি নৌকায় খারাপ রাখব না। প্লিজ আমায় ছেড়ে যেও না। তুমি কি হবে না আমার অচেনা জগতের অচেনা নীলাদ্রি???
,
চিরকুটটা নীলাদ্রির ছোট বোন কে দিয়ে ওর কাছে পাঠালাম। আমি আর ওখানে থাকতে পারছিলাম না,কান্না আসছিল তাই চলে আসলাম। লেকের পাড়ে ব্রেঞ্চিতে আনমনা হয়ে বসে থাকলাম। নীলাদ্রির কথা অনেক মনে পড়ছিল। এই জায়গায় আমি আর নীলাদ্রি অনেক বার আসছিলাম। হঠাৎ মনে হল কেউ আমার কাদে হাত রাখছে। মুখ তুলতেই দেখি নীলাদ্রি আমার সামনে দাঁড়িয়ে। আমি কিছু বলতে পারছিলাম না আমি দাঁড়িয়ে গেলাম। দাঁড়াতেই নীলাদ্রি ঠাস করে আমার গালে একটা চর মারল।
-"ভালবাসো ত আগে বলোনি কেন?
.
-"তোমাকে হারানোর ভয়ে।
.
-"কিসের ভয়,,আমাকে এত কাঁদাতে তোমার ভাল লাগে নাহ।
.
-"আমি কি করব তুমি আমায় ভালবাসবা কিনা সে ভয় আমার মাঝে কাজ করত। যদি আমায় ভুল বুঝে চলে যাও তাই বলতে পারিনি।
.
-"তুমি,,,তুমি আসলেই একটা অকর্মা তোমার জন্য সারাদিন রাত পাগল ছিলাম। সব সময় তোমার পিছে পিছে ঘুরছি তার পড়ও বুঝতে পারলা না ভালবাসি কিনা।
.
-"একবার মুখে বললেই তো পারতা।
.
-"গদ্দব! এসব বিষয়ে মেয়েরা আগে কিছুই বলে না।
.
-"তুমি কি সত্যি আমায় ভালবাসো??
.
-"উফফফফফফফফ,,,,,তুমি আস্তোই একটা বলদ। আমি বিয়ের আসর থেকে তোমার একটা চিরকুট পেয়েই চলে আসছি আর তুমি বলছ আমি তোমায় ভালবাসি কিনা।
.
-"সরি সরি। আমায় মাথায় বুদ্ধি কম তাই বুঝিনি।
.
-"যাও হইছে। এবার চলো।
.
-"কই যাবো?
.
-"কই আবার কাজি অফিসে।
.
-"এখনি?
.
-"হ্যা এখুনি?
.
-"পড়ে গেলে হয় না।
.
-"খুন করে দেবো একদম।
.
-"বাপরে কি জল্লাদ! আছা চলো।
.
-"না জল্লাদ না! আমি তোমার অচেনা নীলাদ্রি।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
    মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী খুব ভালো লেগেছে, রোমাঞ্চিত কথা গুলো ফুটে তোলার কারনে। শুভকামনা, ভোট ও আমার পাতায় আমন্ত্রণ রইলো।
    প্রত্যুত্তর . ১ মার্চ
  • কাজী জাহাঙ্গীর
    কাজী জাহাঙ্গীর হা হা হা... এই কি তবে ঐশ্বরিক প্রেম??? চেষ্টা চালিয়ে যান। লেখনি বলছে আপনি পারবেন। তবে বিষয়টা মাথায় রাখবেন আর সামনে আরো ভাল লেখা নিয়ে আসবেন। অনেক শুভকামনা আর আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
    প্রত্যুত্তর . ১৪ মার্চ