বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৭ জানুয়ারী ১৯৯৩
গল্প/কবিতা: ৯টি

আহা জীবন

প্রশ্ন ডিসেম্বর ২০১৭

অপরিচিতা

নগ্নতা মে ২০১৭

ভয়

কি যেন একটা জানুয়ারী ২০১৭

গল্প - প্রশ্ন (ডিসেম্বর ২০১৭)

প্রশ্ন

রিনিয়া সুলতানা
comment ৬  favorite ০  import_contacts ৭৪
আমার মেয়ে সব সময় ই এই প্রশ্নটা করে মা আমার বাবা কোথায়?আমি এটা ওটা বলে সান্তনা দেই।মাঝে মাঝে খুব আক্ষেপ করে আবার আমার উপর রাগ দেখিয়ে চলে যায়। আমার মেয়ে নমিতা ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার পড়ে।খুব ভালো ছাত্রী।এস এস সি তে গোল্ডেন পেয়েছিলো।আশা করছি ইন্টার এও পাবে।আমার বান্ধবী বলেছিল ওর বাবার ইচ্ছা ডাক্তার বানাবে আমার ও সেই ইচ্ছা।
আফিস শেষ করে বাসায় ফিরলাম মাত্র।মেয়েকে আজ বড় বিমর্শ দেখাচ্ছে।ফ্রেশ হয়ে কাছে গিয়ে বসলাম।আমার আম্মুটার মন খারাপ কেন? কি হয়েছে?
গম্ভীর গলায় বলল মা তোমার সাথে আমার কিছু কথা ছিল। বল কি বলবি? আমি রাফি কে ভালোবাসি।
তো ভাল কথা এমন মন মরা হয়ে বশে আছিস কেন?
মা রাফি ব্যাংকে চাকরী পেয়েছে এখন ই ওর বিয়েটা দিতে চাইছে।কিন্তু মা আমি রাফি কে ছাড়া বাচবো না।
পাগলি মেয়ে রাফি কে বল ওর বাবা মা কে আমার সাথে দেখা করতে বল।
অফিস থেকে ছুটি নিলাম রাফির মা বাবা আসছে।সকাল সকাল রান্না বান্না শুরু করলাম।কলিং বেল টা বাজল।গিয়ে খুললাম।আসরাফ ভাই আপনি!
কবিতা তুমি???
নমিতা তোমার মেয়ে?
না নীলার।আপনি চলে গেলে খুশি হব।
আসরাফ ভাই পিছু হাটা শুরু করলো।রাফি আর ওর মা না বুঝেই উনাকে আনুসরণ করলো।দরজা বন্ধ করেই পিছন ফিরে দেখি আমার মেয়ে।মা নিলা কে? তুমি আংকেল কে চিনো?
আমাকে কোন প্রশ্ন করিস না।শুধু এটুকু বলছি রাফির সাথে তোর বিয়ে হবেনা।নমিতা নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো।সোফায় বসে চোখ বন্ধ করলাম।চোখের সামনে মাসুদ নীলা আসরাফ ভাই এর ছবি ভেসে উঠল।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন