বয়সটা যখন বাড়তে থাকে, তখন প্রেম-ভাবাবেগটা ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যেতে থাকে। তবুও অনেকে আছে বিশেষত যারা ভালবেসে বিয়ে করেছে, এবং সফল জুটি হিসেবেই দীর্ঘ্য সময় পার করছে তাদের চোখটা ভিন্নরকম তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তার পরও পারিপার্শিকতা কখনো কখনো বাগড়া বাধায় সেরকম ভালবাসায়। বয়সের কারনে সেটাকে লুকিয়ে ছাপিয়ে চলতে হয় তাদের। পাছে নির্লজ্জ উপাধির তীর ছুটে না আসে পরিবেশ থেকে। আবার মাঝ বয়সে এসেও নিজেদের মধ্যেও কখনও কখনও লাজ ভর করে। সংসার, সন্তান-সন্ততি এসব নিয়ে খুব সাবধানেই এগুতে হয় সমাজের তির্য়কতাকে এড়িয়ে। এত কিছুর পরও মনতো একটা আছে, মাঝে মাঝে সেটা এই বয়সেও রঙিন হয়ে উঠে, পুরোনে ভাবাবেগে রসালো হয়। ক্ষনিকের জন্য হলেও লাজ/লজ্জাকে সরিয়ে রেখে ভালবাসার মানুষটাকে অন্যরকম করে ভাববার একটা ফুরসত খুজে। আর যারা প্রবাসে থেকে থেকে প্রিয়জন বিচ্ছেদে জর্জরিত তাদের চোখের সামনে মোবাইলের স্ক্রীনে ভাইবার/ইমু/স্কাইপ এ যখন প্রিয়জনের মুখটা ভেসে উঠে তখন বয়স কি আর বাধ মানে...
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৮
গল্প/কবিতা: ৩৫টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৯৬

বিচারক স্কোরঃ ২.৯৬ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - লাজ (জুন ২০১৮)

বয়সের হা পিত্যেসে মন
লাজ

সংখ্যা

মোট ভোট ৩০ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৯৬

কাজী জাহাঙ্গীর

comment ২০  favorite ০  import_contacts ৩২২
থোকা থোকা বেগুনী রঙের পাপড়িতে ছেয়ে গেছে জারুলের ডালগুলো
আর বাতাসের দোলনায় দোল খেতে খেতে
ঝির ঝির শব্দ তোলা পত্র-পল্লব সত্যিই যেন‘ভরত নাট্যম’ মুদ্রায় নৃত্যরত এখন।
আমার কি চোখ আছে সেগুলো দেখার
নাকি আছে মন ?
পঞ্চাশটা মাইল ফলক ছুঁই ছুঁই করছে যখন বয়সের রেলগাড়ীটা
আবেগের পাপড়িগুলো যেন রসহীন পিঙ্গলশুকিয়ে যাওয়া বাগান বিলাস
পড়ে আছে অবহেলায় ঘাসের গালিচায়,
একটা টোকা লাগলেই যেন হুড়মুড় করে চুরমার হয়ে যাবে এখনই ।
তবুও আজ মুঠোফোনে সাড়া দিতেইতোমার মুখাবয়ব,
তোমার বেগুনী ঠোঠগুলো যখন আমার কুশল জানতে চাইলো
হঠাৎ করে যেন সেই জারুলের থোকাগুলো
চিৎকার চেচামেচি করে আমাকে ডাকতে শুরু করলো,
হৃদয়ের তারে তারে সেই জারুল পাতার ‘ভরত নাট্যম’এ তাল দিতে
কেমন যেন সুরের মূর্ছনা জেগে উঠলো,
আর বাগানের ঘাসে পড়ে থাকা শুকনো বাগানবিলাসের পাপড়িগুলো
হঠাৎ করে কোত্থেকে রসে টইটুম্বুর হয়ে
সুন্দর বেগুনী রঙের নজরানা নিয়ে যেন নড়েচড়ে উঠলো…
জানি তুমি হয়তো এসব শুনে বলবে-
‘তোমার কি ভীমরতি হলো নাকি,
ঠোঠটাকে অনেকদিন পর একটু রাঙিয়েছি বলে
এমনকরে বলবে’?
-‘না না তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেন,
এখনোত তোমার কপোলটা ঠিকই আগের মত
লাজে রাঙা সেইটিই আছে’,
আমারই কেবল লাজ-শরমের মাথা খেয়ে
তোমাকে প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে ‘আমি কি ফুরিয়ে গেলাম’?
এই চোখ তেমন করে কেন তোমাকে দেখেনা এমন…

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement